গ্যাস নিয়ে বড়সড় স্বস্তির ঘোষণা করল সরকার, হরমুজ থেকে জাহাজ ছাড়তেই নয়া সিদ্ধান্ত

গ্যাস নিয়ে নতুন খবর শোনাল সরকার। গ্যাসের উপর চাপানো নানা বিধিনিষেধ তুলে নিল কেন্দ্র। যুদ্ধ শেষ হতেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে ফের চলাচল শুরু করতেই এই স্বস্তির বার্তা দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
গ্যাস নিয়ে বড়সড় স্বস্তির ঘোষণা করল সরকার, হরমুজ থেকে জাহাজ ছাড়তেই নয়া সিদ্ধান্তগ্যাস নিয়ে বড়সড় স্বস্তির ঘোষণা করল সরকার
হাইলাইটস
  • মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে গ্যাসের উপর চাপানো নানা বিধিনিষেধ তুলে নিল সরকার।
  • পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শেষ এবং জ্বালানিবাহী জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে ফের চলাচল শুরু করতেই এই স্বস্তির বার্তা দেওয়া হয়েছে।
  • হরমুজ চালু হওয়া শুধু ভারত নয়। সমগ্র বিশ্বের জন্যই একটি উল্লেখযোগ্য স্বস্তির বিষয়।

গ্যাস নিয়ে সুখবর শোনাল কেন্দ্র। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে গ্যাসের উপর চাপানো নানা বিধিনিষেধ তুলে নিল সরকার। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শেষ এবং জ্বালানিবাহী জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে ফের চলাচল শুরু করতেই এই স্বস্তির বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই হরমুজ প্রণালীই বিশ্বের তেল ও গ্যাসের চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। তাই হরমুজ চালু হওয়া শুধু ভারত নয়। সমগ্র বিশ্বের জন্যই একটি উল্লেখযোগ্য স্বস্তির বিষয়।

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত হওয়ায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ ফের চলাচল করতে শুরু করেছে। আর এর প্রেক্ষিতেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। সঙ্কটকালে জারি করা ‘জরুরি প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ'-এর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে কেন্দ্র।

৯ মার্চ এই নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছিল

বিশ্বের তেলের চাহিদা মেটাতে স্ট্র্যাটেজিক ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হতেই প্রায় চার মাস পর এই নিষেধাজ্ঞাগুলো তুলে নেওয়া হল। আমেরিকা ও ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যায়, অভ্যন্তরীণ বাজারে তেল ও গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার ৯ মার্চ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় জরুরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট মোতাবেক, সমস্ত বিধিনিষেধ সরানোর পর এখন থেকে দেশে উৎপাদিত সমস্ত প্রাকৃতিক গ্যাস এবং আমদানিকৃত LNG সরকার কর্তৃক প্রস্তুতকৃত নতুন অগ্রাধিকার তালিকা অনুযায়ী বিতরণ করা হবে। 

কখন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল?

ভারত তেল ও গ্যাসের চাহিদার সিংহভাগই আমদানি করে। যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হরমুজ প্রণালী দিয়েই আসত। কিন্তু যুদ্ধের সময় এই প্রণালী বন্ধ থাকার ফলে এই দুটি অত্যাবশ্যকীয় জ্বালানিতেই ঘাটতি দেখা দেয়। পেট্রোল ও ডিজেল থেকে শুরু করে LPG- সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহেও একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। 

সেই তালিকায় ছিল পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্ট ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে সরবরাহ হ্রাস এবং শোধনাগারে গ্যাস ব্যবহারের উপর ৬৫% সীমা নির্ধারণ। এছাড়াও, শোধনাগারগুলিকে পেট্রোকেমিক্যাল কাঁচামাল সরবরাহ করা থেকেও বিরত রাখা হয়েছিল, এলপিজি উৎপাদন সীমিত করা হয়েছিল এবং পাইকারি গ্রাহকদের কাছে বেশি পরিমাণ ডিজেল বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। যদিও পরে ডিজেল বিক্রির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নেওয়া হয়।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement