কম দামের Hero Xpulse না বেশি দামের Royal Enfield Himalayan, কোন Adventure বাইক বেস্ট?

ভারতে আজকাল অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেলের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সত্যি বলতে, ভারতের বহু অঞ্চলে রাস্তাঘাট এমনই যে, এমন বাইকই মাননসই। শহরের রাস্তাতেও ব্যবহারযোগ্য। দেখতেও বেশ রাফ অ্যান্ড টাফ।

Advertisement
কম দামের Hero Xpulse না বেশি দামের Royal Enfield Himalayan, কোন Adventure বাইক বেস্ট?একদিকে কম দামে Xpulse, অন্যদিকে একটু বেশি দামের Himalayan।
হাইলাইটস
  • ভারতে আজকাল অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেলের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।
  • ভারতের বহু অঞ্চলে রাস্তাঘাট এমনই যে, এমন বাইকই মাননসই।
  • একদিকে কম দামে Xpulse, অন্যদিকে একটু বেশি দামের Himalayan।

Hero Xpulse vs Royal Enfield Himalayan: ভারতে আজকাল অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেলের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সত্যি বলতে, ভারতের বহু অঞ্চলে রাস্তাঘাট এমনই যে, এমন বাইকই মাননসই। শহরের রাস্তাতেও ব্যবহারযোগ্য। দেখতেও বেশ রাফ অ্যান্ড টাফ। স্বাভাবিকভাবেই আজকাল এই ধরনের বাইকের চাহিদা তুঙ্গে। এই সেগমেন্টে সবচেয়ে বেশি ডিম্যান্ড দুই মডেলের। Hero Xpulse এবং Royal Enfield Himalayan। একদিকে কম দামে Xpulse, অন্যদিকে একটু বেশি দামের Himalayan। তাই অনেকেরই প্রশ্ন, প্রায় ২ লক্ষ টাকা খরচ করে Himalayan কিনবেন, নাকি প্রায় ৮৫ হাজার টাকা কম দিয়ে Xpulse কেনাই যথেষ্ট?

ডিজাইনের দিক থেকে Hero Xpulse পুরোপুরি ডার্ট বাইক থেকে অনুপ্রাণিত। কম বডিওয়ার্ক, ২১ ইঞ্চির ফ্রন্ট হুইল এবং হালকা ওজন। সব মিলিয়ে অফ-রোডিংয়ের জন্য তৈরি। ১৩ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক, ডিজিটাল ডিসপ্লে, ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি এবং টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন; এই সেগমেন্টের নিরিখে বেশ ভালই ফিচার পাবেন। সিট হাইট কিছুটা বেশি। তবে বসার পর সাসপেনশন বসে যায়। তখন বাইক কিছুটা নিচে নেমে আসে। তবুও কম হাইট হলে অবশ্যই একবার বসে দেখে নেবেন। 
Royal Enfield Himalayan vs Hero Xpulse: So which one do you need?

অন্যদিকে Royal Enfield Himalayan দেখতে বড়সড়। বেশ শক্তপোক্ত। ২১ ইঞ্চির সামনের চাকা, ২০০ মিমি সাসপেনশন ট্রাভেল এবং ১৫ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক। লং রাইডের জন্য আদর্শ। নতুন মডেলে ট্রিপার নেভিগেশন সিস্টেম রয়েছে। সিট হাইট তুলনামূলক কম হওয়ায়। ফলে মাঝারি উচ্চতার রাইডারদের জন্যও এটি সুবিধাজনক।

পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে দুই বাইকের চরিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। Xpulse এর ২০০ সিসি ইঞ্জিন শহরের জন্য যথেষ্ট স্মুথ। ৮০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত গতি তুলতে সমস্যা হয় না। তবে তার পরেই ইঞ্জিনে চাপ পড়ে। তাই হাইওয়ে ক্রুজিংয়ের জন্য এটি খুব একটা উপযুক্ত নয়। অন্যদিকে Himalayan এর ৪১১ সিসি ইঞ্জিন সহজেই ১০০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে চলতে পারে। লং রাইডের ক্ষেত্রে এটি অনেক বেশি স্টেবল এবং আরামদায়ক।

Advertisement

অফ-রোডে Xpulse অনেক বেশি চটপটে। হালকা ওজন। খাঁজকাটা টায়ারের। জল-কাদা বা পাথুরে রাস্তায় সহজে চলতে পারে। পড়ে গেলেও তুলতে সুবিধা। অন্যদিকে Himalayan শক্তিশালী হলেও ভারী। ফলে অফ-রোডে সামলানো কিছুটা কঠিন। তবে ইনিশিয়াল টর্ক ভাল। তাই ঢালু, পাহাড়ি রাস্তায় আরও সহজেই চালাতে পারবেন।

Technical Specifications Royal Enfield Himalayan Hero Xpulse
Engine 411cc Air-oil cooled single 199.6cc Air-oil cooled single
Power 24.3bhp@6,500rpm 17.8bhp@8,500rpm
Torque 32Nm@4,000rpm 16.4Nm@6,500rpm
Gearbox 5-speed 5-speed
LxWxH (mm) 2,190x840x1,370 2,222x850x1,258
Wheelbase (mm) 1,465 1,410
Seat height 800mm 823mm
Kerb weight 199kg 157kg
Ground clearance 200mm 220mm
Price (ex-showroom) Rs 2.08 lakh Rs 1.15 lakh

সব দিক থেকে বিচার করলে, শহরে প্রতিদিনের ব্যবহার এবং মাঝে মধ্যে ট্রেইল রাইডের জন্য Hero Xpulse যথেষ্ট। তবে যদি লং ট্যুর, হাইওয়ে রাইড এবং অ্যাডভেঞ্চার; সব একসঙ্গে চান, তাহলে Royal Enfield Himalayan ই বেস্ট। আপনার বাজেট ও প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন।  

POST A COMMENT
Advertisement