নতুন মডেলে একাধিক আধুনিক প্রযুক্তি যোগ হয়েছে।Hero bikes India: নতুন চমক হিরোর। এক্সট্রিম ২৫০আর-এর আপডেটেড ভার্সান আনল সংস্থা। নতুন মডেলে একাধিক আধুনিক প্রযুক্তি যোগ হয়েছে। রয়েছে টিএফটি ডিসপ্লে, বাই-ডিরেকশনাল কুইকশিফটার, রাইডিং মোড এবং ট্র্যাকশন কন্ট্রোল। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ, পিছনের সাসপেনশনে নতুন প্রযুক্তি। নতুন Hero Xtreme 250R Carbon-এর এক্স-শোরুম দাম ১.৯৮ লক্ষ টাকা (দিল্লি)।
কী কী বদল হল নতুন বাইকে?
নতুন এক্সট্রিম ২৫০আর-এ ৪.২ ইঞ্চির টিএফটি ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার রয়েছে। আগের এলসিডি ডিসপ্লের বদলে এসেছে এই নতুন স্ক্রিন। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন সংযোগ, টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন এবং ল্যাপ টাইমারের মতো ফিচার ব্যবহার করা যাবে।
বাইকে যোগ হয়েছে রাইড-বাই-ওয়্যার থ্রটল। এর সাহায্যে চার ধরনের রাইডিং মোড বেছে নেওয়া যাবে— রেন, রোড, স্পোর্ট এবং ট্র্যাক। প্রতিটি মোডে ট্র্যাকশন কন্ট্রোলের সেটিং আলাদা। ফলে রাস্তা ও চালানোর ধরন অনুযায়ী বাইকের নিয়ন্ত্রণ সামলানো সহজ হতে পারে।
এ ছাড়াও রয়েছে বাই-ডিরেকশনাল কুইকশিফটার, ক্রুজ কন্ট্রোল এবং টায়ার প্রেশার মনিটরিং সিস্টেম। অর্থাৎ, চালানোর সুবিধা ও নিরাপত্তার দিকে নজর দিয়েছে সংস্থা।
সাসপেনশনে নতুন টেকনোলজি
এই বাইকের অন্যতম আকর্ষণ ফ্রিকোয়েন্সি সিলেক্টিভ ড্যাম্পিং (এফএসডি) প্রযুক্তির পিছনের মনোশক সাসপেনশন। রাস্তার ধাক্কার ধরন বুঝে এটি ড্যাম্পিংয়ের শক্তি বদলাতে পারে। ছোট ছোট কম্পনে সাসপেনশন তুলনায় শক্ত থাকবে। বড় ও ধীরগতির ধাক্কায় তা নরম হতে পারে। সামনের ৪৩ মিলিমিটারের ইউএসডি ফর্কে অবশ্য কোনও বদল হয়নি।
ইঞ্জিন
বাইকে রয়েছে ২৪৯ সিসির লিকুইড-কুলড, সিঙ্গল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন। এটি ৯২৫০ আরপিএমে ৩০ হর্সপাওয়ার শক্তি এবং ৭৫০০ আরপিএমে ২৫.৩ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে। আগের তুলনায় টর্ক সামান্য বেড়েছে। ডিজাইন ও ইঞ্জিনের মূল কাঠামোয় বড় পরিবর্তন নেই।
কার্বন রেড, কার্বন ব্ল্যাক এবং কার্বন হোয়াইট; তিনটি নতুন রঙে পাওয়া যাবে। আগের সংস্করণের তুলনায় দাম বেড়েছে ২৫ হাজার টাকা। ফলে কেটিএম ২৫০ ডিউকের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী বাইকের সঙ্গে কম্পিটিশন আরও জমবে।