Honda ADV160: বাইককেও হার মানাবে এই স্কুটার! বড় কিছু আনতে চলেছে হোন্ডা

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ভারতে লঞ্চ হতে পারে Honda ADV160 । ১৫৭ সিসি ইঞ্জিন, ২৭ লিটার স্টোরেজ, ABS, USB চার্জার ও প্রিমিয়াম ফিচার্সসহ এই ম্যাক্সি-স্কুটার Aerox 155 ও Xoom 160-কে টক্কর দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
বাইককেও হার মানাবে এই স্কুটার! বড় কিছু আনতে চলেছে হোন্ডাএই ম্যাক্সি-স্কুটার Aerox 155 ও Xoom 160-কে টক্কর দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
হাইলাইটস
  • ভারতে সস্তার ম্যাক্সি-স্কুটার বলতে লোকে সুজুকি বার্গম্যানই বোঝে।
  • তবে এবার সেই বাজারে নতুন চমক আনতে চলেছে Honda।
  • ম্যাক্সি-স্কুটারের বাজারে অপশন বলতে Yamaha Aerox 155 এবং Hero Xoom 160।

Honda ADV160: ভারতে সস্তার ম্যাক্সি-স্কুটার বলতে লোকে সুজুকি বার্গম্যানই বোঝে। এপ্রিলিয়ারও আছে। তবে এবার সেই বাজারে নতুন চমক আনতে চলেছে Honda। দীর্ঘ জল্পনার পর এবার প্রায় নিশ্চিত। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই দেশে ADV160 লঞ্চ করতে পারে Honda। শুধু ভারতের বাজার নয়, রফতানিও করা হবে। আর তা তৈরি হবে দেশের মাটিতেই। ফলে দামও কমই থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

আপাতত ১৫০-১৬০ সিসি প্রিমিয়াম ম্যাক্সি-স্কুটারের বাজারে অপশন বলতে Yamaha Aerox 155 এবং Hero Xoom 160। সেই তালিকাতেই আসতে চলেছে ADV160। অটোমোবাইল সেক্টর সূত্রে খবর, আগামী ৬ মাসের মধ্যেই স্কুটারটি বাজারে আনা হতে পারে। অর্থাৎ ২০২৬ সালের শেষ দিকে অথবা ২০২৭ সালের শুরুতেই লঞ্চ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

১৫৭ সিসি লিকুইড-কুলড ইঞ্জিন
Honda ADV160-তে থাকছে ১৫৭ সিসি সিঙ্গল-সিলিন্ডার, লিকুইড-কুলড ইঞ্জিন থাকবে। ৮,৫০০ আরপিএমে ১৬ হর্সপাওয়ার এবং ৬,৫০০ আরপিএমে ১৪.৭ নিউটন মিটার টর্ক জেনারেট করে।

পারফরম্যান্সের নিরিখে নিঃসন্দেহে Yamaha Aerox 155 এবং Hero Xoom 160-এর সঙ্গে এক সারিতেই রাখা যায়। শহরের রাস্তা থেকে শুরু করে লং রাইড, দুই ক্ষেত্রেই বেশ আরামসে রাইডিং করতে পারবেন।

বড় স্টোরেজ, USB চার্জার
ADV160-র সিটের নিচে প্রায় ২৭ লিটার স্টোরেজ স্পেস রয়েছে। ফলে হেলমেট বা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সহজেই রাখা যাবে।

এছাড়াও সামনে ছোট স্টোরেজ কম্পার্টমেন্ট থাকবে। সঙ্গে USB চার্জিং পোর্টও দেওয়া হয়েছে। ফলে চলার পথেই মোবাইল চার্জ দিয়ে নিতে পারবেন।

সাসপেনশন ও ব্রেকিং সিস্টেম
Showa-র ৩১ মিমি টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক এবং পিছনে টুইন শক অ্যাবজর্বর থাকছে।

সামনে ২৪০ মিমি ডিস্ক ব্রেক এবং পিছনে ১৩০ মিমি ড্রাম ব্রেক থাকছে। পাশাপাশি স্ট্যান্ডার্ড ফিচার হিসেবে সিঙ্গল-চ্যানেল ABS পাবেন।

ভারতের রাস্তায় প্র্যাকটিকাল?
স্কুটারের সিট হাইট ৭৮০ মিমি এবং গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৬৫ মিমি। ফলে কম হাইটের রাইডারদের খুব একটা সমস্যা হবে না। খারাপ রাস্তা বা বাম্পারের উপর দিয়ে যেতেও সমস্যা হবে না। 

ওজন ১৩৩ কেজি। অর্থাৎ Hero Xoom 160-এর তুলনায় হালকা হলেও Yamaha Aerox 155-এর চেয়ে কিছুটা ভারী।

Advertisement

৮.১ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক। এই সেগমেন্টের অন্য অনেক স্কুটারের তুলনায় বড়।

ফিচার্স
Honda ADV160-এ একাধিক আধুনিক ফিচার দেওয়া হতে পারে। সম্ভাব্য তালিকা দেখে নিন

সম্পূর্ণ ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার

কী-লেস ইগনিশন

স্টার্ট-স্টপ প্রযুক্তি

ফুল LED লাইটিং

USB চার্জার

অ্যাডজাস্টেবল উইন্ডস্ক্রিন
বিদেশের বাজারে ইতিমধ্যেই ADV160 বিক্রি হয়। সেগুলিতে টু স্টেড অ্যাডজাস্টেবল উইন্ডস্ক্রিন রয়েছে। ভারতের ভার্সানে কি সেই ফিচার থাকবে? এ বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি হোন্ডা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কস্ট-কাটিংয়ের জন্য এই ফিচার না-ও রাখা হতে পারে। 

দাম কত হতে পারে?
হন্ডা যেহেতু স্কুটারটি ভারতেই উৎপাদন করার পরিকল্পনা করছে, সেহেতু দাম মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যেই থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, ADV160 লঞ্চ হলে ভারতের প্রিমিয়াম ম্যাক্সি-স্কুটার সেগমেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়তে পারে। Aerox 155 এবং Xoom 160 মোটামুটি ভালই বিক্রি হচ্ছে। সেই বাজারেই এবার নজর হোন্ডার।  

POST A COMMENT
Advertisement