Royal Enfield কে টেক্কা? সস্তায় Rebel 300 আনল Honda, দারুণ দেখতে

Honda Rebel 300 and Rebel 500 Unveiled: ভারতে এল হোন্ডার ২ নতুন ক্রুজার বাইক 'রেবেল 300' ও 'রেবেল 500'! দুই বাইক কি রয়্যাল এনফিল্ডকে টেক্কা দিতে পারবে?

Advertisement
Royal Enfield কে টেক্কা? সস্তায় Rebel 300 আনল Honda, দারুণ দেখতে ২ নতুন ক্রুজার বাইক 'রেবেল 300' ও 'রেবেল 500'!
হাইলাইটস
  • রয়্যাল এনফিল্ডকে (Royal Enfield) চ্যালেঞ্জ।
  • বাজারে একসঙ্গে ১০টি নতুন মোটরবাইক আনতে পারে হোন্ডা।
  • দু'টি ক্রুজার বাইক, 'রেবেল ৩০০' (Rebel 300) এবং 'রেবেল ৫০০' (Rebel 500) রিভিল করেছে সংস্থা।

রয়্যাল এনফিল্ডকে (Royal Enfield) চ্যালেঞ্জ। ভারতের বাজারে একসঙ্গে ১০টি নতুন মোটরবাইক আনতে পারে হোন্ডা। ইতিমধ্যেই দু'টি ক্রুজার বাইক, 'রেবেল ৩০০' (Rebel 300) এবং 'রেবেল ৫০০' (Rebel 500) রিভিল করেছে সংস্থা। এতদিন CBU বা আমদানি করা বাইক হিসেবে চড়া দামে এই বাইক বিক্রি হত। তবে, এবার সেই ছবি বদলাতে চলেছে। হোন্ডা জানিয়েছে, নতুন রেবেল ৫০০-এর প্রায় ৫০ শতাংশ পার্টস বা যন্ত্রাংশ  ভারতেই তৈরি বা 'লোকালি সোর্সড' (Locally Sourced) করা হবে। ফলে মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যেই এই দুই বাইকের দাম থাকতে চলেছে। 

রয়্যাল এনফিল্ডের রাজত্বে থাবা?
ভারতের অটোমোবাইল বাজারে ৩৫০ সিসি থেকে ৫০০ সিসি ক্রুজার ক্যাটাগরিতে এতদিন  রয়্যাল এনফিল্ডের মেটিওর 350, ক্লাসিক 350 এবং সুপার মেটিওর 650-র একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। এছাড়া হালের হোন্ডা সিবি 350, Jawa-ও ছিল। হোন্ডা রেবেল সিরিজ সেই মার্কেটই চ্যালেঞ্জ করতে চলেছে।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট। রেবেল 300 সরাসরি রয়্যাল এনফিল্ড মেটিওর 350-কে টেক্কা দেবে। অন্যদিকে রেবেল 500 টেক্কা দেবে সুপার মেটিওর 650-কে। স্থানীয়ভাবে পার্টস তৈরি হবে। তাই হোন্ডা যদি দাম সাধ্যের মধ্যে রাখতে পারে, তাহলে রয়্যাল এনফিল্ডপ্রেমী তরুণ প্রজন্মের মন অনায়াসেই কাড়তে পারে। কারণ এ বাইকের লুকস বেশ কুল। স্পোর্টি ববার ডিজাইন। তাছাড়া হোন্ডার ইঞ্জিন রিফাইনমেন্ট এবং ই-ক্লাচের (E-Clutch) মতো মডার্ন ফিচার্স পাবেন। রয়্যাল এনফিল্ডের তুলনায় বেশ মডার্ন ব্যাপার। 

হাই টেকনোলজি, ক্লাসিক ডিজাইন
রেবেল ৩০০ এবং ৫০০; দু'টি বাইকেরই সবচেয়ে বড় চমক হল হোন্ডার 'ই-ক্লাচ' (E-Clutch) প্রযুক্তি। এর সুবিধা কী? ক্লাচ না চেপেও অনায়াসে গিয়ার শিফট করতে পারবেন। ক্লাচ বাইক অটোম্যাটিকালি ধরে নেবে।

ডিজাইন: দুটি বাইকেই রিয়াল ববার-স্টাইলিং। টিয়ার-ড্রপ আকৃতির ফুয়েল ট্যাঙ্ক, গোল এলইডি হেডল্যাম্প, টু-পিস সিট এবং ছোট এক্সজস্ট পাইপ। ক্লাসি, স্পোর্টি লুক।

ইঞ্জিন ও পাওয়ার: রেবেল ৩০০-এ রয়েছে ২৮৬ সিসি সিঙ্গল-সিলিন্ডার লিকুইড-কুলড ইঞ্জিন। ৩০ এইচপি পাওয়ার ও ২৭.৫ এনএম টর্ক দেয়। অন্যদিকে, রেবেল ৫০০-এ রয়েছে ৪৭১ সিসি প্যারালাল-টুইন ইঞ্জিন, যা থেকে ৪৬ এইচপি পাওয়ার এবং ৪৩.৩ এনএম টর্ক জেনারেট করে।

Advertisement

ফিচার্স: ভারতের ভ্যারিয়েন্টের এলসিডি ডিসপ্লর বদলে বিশেষ ট্রিপ মিটার সহ  বৃত্তাকার টিএফটি (TFT) ডিজিটাল ডিসপ্লে থাকছে। দুটিতেই ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস (ABS) দেওয়া হয়েছে।

রাইডিং কমফোর্টও আছে
মাত্র ৬৯০ মিমি সিট হাইট। কম বা সাধারণ উচ্চতার রাইডাররাও আরামসে পা পাবেন। চালানো অত্যন্ত সহজ ও আরামদায়ক হবে। রিল্যাক্সড রাইডিং পজিশন। চওড়া হ্যান্ডেলবার ও ফরওয়ার্ড-সেট ফুটপেগ। রেবেল 300-এর ওজন ১৭২ কেজি এবং রেবেল 500-এর ওজন ১৯১ কেজি। সংস্থা এখনও অফিসিয়ালি ভারতের বাজারে এর দাম বা ডেলিভারির তারিখ ঘোষণা করেনি। তবে খুব শীঘ্রই তা জানানো হবে। 

POST A COMMENT
Advertisement