১০ লক্ষ টাকা জমানোর SIPসকলের স্বপ্ন ভিন্ন। কেউ এক কোটি টাকাতে খুশি। কারও স্বপ্ন আবার শুধু ১০ লক্ষ টাকা জমানো। তবে স্বপ্ন যাই হোক না কেন, সেটা সত্যি করার জন্য আপনি SIP-এর হাত ধরতেই পারেন। নিয়মিত SIP করলেই অনায়াসে ১০ লক্ষ টাকা সহজেই জমিয়ে ফেলতে পারবেন। এমনকী মাসে ৫ হাজার টাকা করে জমিয়েও পেয়ে যেতে পারেন ১০ লক্ষ টাকা।
SIP নিয়ে দুই চার কথা
এখন অধিকাংশ মানুষই SIP করেন। তাঁরা মোটামুটি জানেন যে SIP কী, কীভাবে কাজ করে। যদিও এখনও কিছু মানুষ এর সম্পর্কে তেমন একটা খোঁজ রাখেন না। তাই এই বিষয়ে দুই থেকে চার কথা বলতেই হবে।
আসলে SIP-এর পুরো কথা হল সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা মিউচুয়াল ফান্ডে ইনভেস্ট করা হয়। তারপর মিউচুয়াল ফান্ডগুলি সেই টাকা নির্দিষ্ট কিছু স্টকে বিনিয়োগ করে। যার মাধ্যমে মেলে রিটার্ন।
কতটা রিটার্ন পাওয়া যায়?
মিউচুয়াল ফান্ডের রিটার্ন মার্কেটের উপর নির্ভরশীল। তাই আগে থেকে রিটার্ন সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ১০ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত রিটার্ন মেলে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে মোটামুটি ১২ শতাংশ হারে রিটার্ন পাওয়া যায়। তাই ১২ শতাংশের হিসেবটা ধরেই অঙ্ক করা বুদ্ধিমানের কাজ।
কতদিনে জমে যাবে ১০ লক্ষ টাকা?
নিয়মিত ইনভেস্ট করলে খুব বেশি দিন লাগবে না ১০ লক্ষ টাকা জমাতে। এক্ষেত্রে যদি মাসে ২ হাজার টাকা করে জমান, তাহলে ১৫ থেকে ১৬ বছর লেগে যেতে পারে। জমানোর পরিমাণ যদি ৩০০০ টাকা প্রতি মাস হয়, তাহলে ১২ বছরে ১০ লক্ষ টাকা জমে যেতে পারে। আর যদি ৫ হাজার টাকা করে প্রতি মাসে জমান, তাহলে ৯ থেকে ১০ বছরে রিটার্ন পেয়ে যাবেন টাকাটা। মাসে ১০ হাজার টাকা করে জমালে সময় লাগবে ৬ থেকে ৭ বছর।
কী ধরনের ফান্ডে ইনভেস্ট করছেন
মিউচুয়াল ফান্ডের অধীনে অনেক ধরনের ফান্ড রয়েছে। লার্জক্যাপ ফান্ড অনেক বেশি সুরক্ষিত। কিন্তু এখানে রিটার্ন খুব একটা বেশি হয় না। আর স্মলক্যাপ এবং মিডক্যাপে রিটার্ন পেতে পারেন বেশি। তবে এগুলিতে ঝুঁকিও খুব বেশি। সুতরাং সাবধান হন। ভেবেচিন্তে ইনভেস্ট করুন। তাহলেই আপনার টাকা থাকবে সেফ। ধীরে ধীরে সেটা বাড়তে থাকবে।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।