বাড়ি বাড়ি ঘুরে লোক গুনতে হবে, জনগণনার চাকরিতে কেমন আয়? কীভাবে আবেদন? বিস্তারিত

ভারতে আদমশুমারি বা জনগণনা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জীবনযাত্রার নানা তথ্য সংগ্রহ করা হয়। আসন্ন ২০২৭ সালের জনগণনাকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে, আর এবার এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তিও।

Advertisement
বাড়ি বাড়ি ঘুরে লোক গুনতে হবে, জনগণনার চাকরিতে কেমন আয়? কীভাবে আবেদন? বিস্তারিত
হাইলাইটস
  • ভারতে আদমশুমারি বা জনগণনা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জীবনযাত্রার নানা তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
  • আসন্ন ২০২৭ সালের জনগণনাকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে, আর এবার এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তিও।

ভারতে আদমশুমারি বা জনগণনা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং জীবনযাত্রার নানা তথ্য সংগ্রহ করা হয়। আসন্ন ২০২৭ সালের জনগণনাকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে, আর এবার এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তিও।

কে পরিচালনা করে জনগণনা?
ভারতে জনগণনা পরিচালনা করে কেন্দ্রীয় সরকার। এই কাজটি দেখভাল করে অফিস অফ দ্য রেজিস্ট্রার জেনারেল অ্যান্ড সেনসাস কমিশনার অফ ইন্ডিয়া, যা মিনিস্ট্রি অফ হোম অ্যাফেয়ার্সের অধীনে।

কারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন?
জনগণনার জন্য আলাদা করে নতুন কর্মী নিয়োগ করা হয় না। সাধারণত সরকারি স্কুলের শিক্ষক, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, পাটোয়ারি, কেরানি এবং অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদেরই এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁদেরই বলা হয় ‘এনিউমারেটর’ বা গণনাকারী।

তাঁদের কাজ কী?
এই গণনাকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন, যেমন
পরিবারের সদস্য সংখ্যা
শিক্ষাগত যোগ্যতা
পেশা
বাসস্থানের অবস্থা
পানীয় জল, বিদ্যুৎ, শৌচাগারসহ বিভিন্ন মৌলিক সুবিধা

কত আয় হয়?
এই কাজের জন্য আলাদা স্থায়ী বেতন নেই, কারণ তাঁরা আগেই সরকারি কর্মচারী। তবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁদের সম্মানী দেওয়া হয়। সাধারণত এই সম্মানীর পরিমাণ প্রায় ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকার মধ্যে হতে পারে।

২০২৭ সালের জনগণনা কীভাবে হবে?
২০২৭ সালের জনগণনা হবে দেশের ১৬তম আদমশুমারি এবং এটি দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে
১. গৃহতালিকা (House Listing)
২. জনসংখ্যা গণনা (Population Enumeration)

এইবারের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হল, পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হবে। সাধারণ মানুষ চাইলে নিজেরাই অনলাইনে তথ্য জমা দিতে পারবেন।

কী কী তথ্য সংগ্রহ করা হবে?
এই জনগণনায় বাড়ির অবস্থা, মালিকানা, কক্ষের সংখ্যা, পানীয় জল, বিদ্যুৎ, শৌচাগার, রান্নার জ্বালানি, ইন্টারনেট সুবিধা, মোবাইল-কম্পিউটার, যানবাহন, এসবের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক তথ্যও নেওয়া হবে।

 

POST A COMMENT
Advertisement