এলপিজি ই-কেওয়াইসিরান্নার গ্যাস বা এলপিজি সিলিন্ডার থাকলে ই-কেওয়াইসি থাকা মাস্ট। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেই গ্যাস দ্রুত বুকিং করা যাবে। নইলে গ্যাস বুক করতে সমস্যা হতে পারে। এমনকী কিছু ক্ষেত্রে বুকিং ক্যানসেল হতে পারে। আর এই খবর সামনে আসার পরই অনেকে চিন্তায় পড়েছেন। তারা ভাবছেন ঠিক কীভাবে সময় জোগার করে গ্যাসের অফিসে গিয়ে ই-কেওয়াইসি করবেন? আর আপনার মাথাতেও এই চিন্তা চললে একটু শান্ত হন। কারণ, ই-কেওয়াসি করতে আর গ্যাসের অফিস ছুটতে হবে না। বরং বাড়িতে বসেই করে ফেলতে পারেন এই কাজ। এক্ষেত্রে অনলাইনেই করা যাবে ই-কেওয়াসি।
কেন ই-কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক?
এই বিষয়টা নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছে সরকার। তারা জানিয়েছে, ই-কেওয়াইসির মাধ্যমে প্রকৃত গ্রাহকদের তথ্য জানতে চাইছে তেল সংস্থাগুলি। ই-কেওয়াইসি করা হলেই ভুয়ো গ্রাহক এবং ডুপ্লিকেট গ্রাহকদের চিহ্নিত করা যাবে। তাই ই-কেওয়াইসির উপর জোর দিচ্ছে তেল সংস্থাগুলি। এর মাধ্যমে স্বচ্ছ গ্রাহক লিস্ট তৈরি করা যাবে। সঠিক মানুষের কাছেই ভর্তুকি পৌঁছে দেওয়া যাবে বলে মনে করছেন তারা।
অনলাইনে ই-কেওয়াইসি করবেন কীভাবে?
এই কাজটা করা খুবই সহজ। এক্ষেত্রে নিজের গ্যাস সংস্থার মোবাইল অ্যাপ প্রথমে নামিয়ে ফেলতে হবে। এক্ষেত্রে গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপেল অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটা নামিয়ে নিন। এরপরই ই-কেওয়াইসির কাজ শুরু করা যাবে।
এক্ষেত্রে ই-কেওয়াইসির জন্য প্রথমে আধার কার্ড, মোবাইল নম্বর, এলপিজি গ্রাহকের নম্বর ও রেজিস্ট্রেশনের অন্যান্য তথ্য সঙ্গে রাখুন।
এরপর অ্যাপের ই-কেওয়াইসি অপশনে যান।
তারপর আধার ফেসআরডি অ্যাপ ডাউনলোড করুন।
সেই অ্যাপ ইনস্টল হয়ে গেলে ফেস স্ক্যান করুন বা অন্যভাবে বায়োমেট্রিক যাচাই করুন।
যাচাই ঠিক ঠাক হয়ে গেলেই ই-কেওয়াইসি আপডেট হয়ে যাবে।
এছাড়া কীভাবে করতে পারেন?
অনেকেই মোবাইলে অ্যাপ ডাউনলোড করতে চান না। তাদের জন্যও রয়েছে বিকল্প। সেক্ষেত্রে www.pmuy.gov.in ওয়েবসাইটে যেতে পারেন। সেখানে গিয়েও সেই কাজটা করে ফেলতে পারেন।
তবে এভাবে করতে না চাইলে নিজের গ্যাসের অফিসে যান। সেখানে আধার কার্ড ও গ্যাসের নথি নিয়ে যান। তাহলেই হয়ে যাবে ই-কেওয়াইসি। সুতরাং চিন্তার কোনও কারণ নেই। বরং শান্ত মাথায় করে ফেলুন ই-কেওয়াইসি।