AC চালালেও কীভাবে বিল কম আসবেতীব্র গরমে প্রতিটি বাড়িতে এসি একটি অপরিহার্য জিনিস হয়ে উঠেছে। তবে, এর চড়া মাসিক বিদ্যুৎ বিল মানুষের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে তোলে। দেশের বেশিরভাগ মানুষ গ্রীষ্মকালে এই সমস্যার সম্মুখীন হল। জুন মাস নাগাদ বিদ্যুৎ বিল ৬,০০০-৭,০০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে কিছু ছোট অভ্যাস গড়ে তুললে গ্রীষ্মকালে বিশাল অঙ্কের বিল এড়ানোর পাশাপাশি এসির আরামও উপভোগ করতে পারবেন।
১. সঠিক পদ্ধতিতে এসি চালানো
অনেকে প্রায়ই ভাবেন যে এতে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হবে, তাই তারা এসি ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করেন। কিন্তু তাপমাত্রা হত কম হবে, বিদ্যুৎ খরচও তত বেশি হবে। সবসময় এসি ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সেট করুন। এই তাপমাত্রা ঘরকে ঠান্ডা রাখে এবং শক্তি সাশ্রয় করে। ফ্যানসহ এসি চালালে শীতল করার কার্যকারিতা আরও বাড়ে।
২. টাইমার এবং স্লিপ মোড ব্যবহার করতে শিখুন।
রাতে একটানা এসি চালালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। তাই, টাইমার এবং স্লিপ মোড ব্যবস্থার করা উপকারী। স্লিপ মোডে, এসি ধীরে ধীরে তাপমাত্রা সামঞ্জস্য করে, যা অপ্রয়োজনীয় শীতলতা রোধ করে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে। টাস্কার সেট করলে প্রয়োজনে এসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
৩. ঘরটি ভালোভাবে বন্ধ রাখুন
এসি চলার সময় ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে গেলে যন্ত্রটিকে আরও বেশি কাজ করতে হয়, ফলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। দরজা ও জানালার ফাঁক বন্ধ রাখা, মোটা পর্দা ব্যবস্থার করা এবং সরাসরি সূর্যের আলো প্রবেশে বাধা দিলে ঘরের শীতলতা বেশিক্ষণ ধরে রাখা যায়।
আপনার এসি সঠিকভাবে ব্যবস্থর করলে বিদ্যুৎ খরচ ৩০-৫০% পর্যন্ত সাশ্রয় হতে পারে। অনেকেই ফিল্টার পরিষ্কার না করা বা তাপমাত্রা খুব কম করে রাখার মতো ছোটখাটো বিষয় উপেক্ষা করেন, এবং এই অভ্যাসগুলোর কারণে তাদের বিল বেড়ে যেতে পারে।
আপনিও যদি এই ৩টি সহজ অভ্যাস মেনে চলেন, যেমন-তাপমাত্রা ২৪-২৬ ডিগ্রিতে রাখা, টাস্কার/স্লিপ মোড ব্যবস্থর করা এবং ঘর ভালোভাবে বন্ধ রাখা... তাহলে এসি চালিয়েও বিদ্যুৎ বিল অনেকাংশে কমানো সম্ভব।