Air Cooler: সস্তা কুলারও দেবে AC-র মতো ঠান্ডা, চটচটে ভাব দূর হবে; সহজ কৌশল

গরম শুরু হলেই বেশিরভাগ বাড়িতে কুলার ব্যবহার শুরু হয়ে যায়। এগুলি সস্তা, কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং বেশ ভালো বাতাস দেয়, তাই লক্ষ লক্ষ মানুষ এখনও কুলারের উপর নির্ভর করে। ভারতের বেশিরভাগ মানুষের এসি কেনার সামর্থ্য নেই, তাই গ্রীষ্মকালে কুলারই একমাত্র উপায়।

Advertisement
সস্তা কুলারও দেবে AC-র মতো ঠান্ডা, চটচটে ভাব দূর হবে; সহজ কৌশলএয়ার কুলার

গরম শুরু হলেই বেশিরভাগ বাড়িতে কুলার ব্যবহার শুরু হয়ে যায়। এগুলি সস্তা, কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং বেশ ভালো বাতাস দেয়, তাই লক্ষ লক্ষ মানুষ এখনও কুলারের উপর নির্ভর করে। ভারতের বেশিরভাগ মানুষের এসি কেনার সামর্থ্য নেই, তাই গ্রীষ্মকালে কুলারই একমাত্র উপায়।

কিন্তু কুলার ব্যবহার করার কিছুক্ষণ পরেই একটি সাধারণ অভিযোগ ওঠে: "বাতাস তো ঠান্ডা, কিন্তু শরীরটা চটচটে লাগছে কেন?" আর্দ্রতা মানুষকে অস্বস্তিতে ফেলে এবং শেষ পর্যন্ত তাদের কুলারটি বন্ধ করে দিতে হয়। কখনও কখনও, কুলার থেকেও গরম বাতাস বের হয়।

তাহলে সমাধানটা কী? এই সমস্যাটি কমাতে কুলারের সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন এমন কিছু গ্যাজেট সম্পর্কে জেনে নিন।

সঙ্গে যদি এমনটা ঘটে, তবে এর জন্য শুধু আবহাওয়া নয়, বরং কুলারটির কার্যপ্রণালীও দায়ী।

কুলারের ভিতরে আঠালো ভাব কেন হয়?
কুলার জল ব্যবহার করে বাতাসকে ঠান্ডা করে। এর পিছনে কুলিং প্যাড থাকে, যার উপর জল ঢালা হয় এবং একটি ফ্যান সেই আর্দ্র বাতাসকে ঘরে ছড়িয়ে দেয়। প্যাডগুলো বিভিন্ন ধরনের হয়, তবে আজকাল হানিকম্ব (মৌচাক আকৃতির) বেশি জনপ্রিয়। এই প্রক্রিয়াটি বাতাসের সঙ্গে সঙ্গে ঘরের আর্দ্রতাও বাড়িয়ে দেয়।

ঘরের আর্দ্রতা বেশি থাকলে আমাদের শরীরের ঘাম সহজে শুকোয় না। একারণে বাতাস ঠান্ডা থাকলেও আমাদের শরীর চটচটে লাগে। বিশেষ করে ঘরটি বন্ধ থাকলে, আবহাওয়ায় আর্দ্রতা আগে থেকেই বেশি থাকলে, বা কুলারটি দীর্ঘ সময় ধরে একটানা চলতে থাকলে এই চটচটে ভাব আরও বেড়ে যায়।

কুলার ব্যবহার করা কি অনুচিত? না, তবে এগুলো বিচক্ষণতার সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত
ভারতের জন্য কুলার একটি ভালো বিকল্প। এগুলো সস্তা এবং এতে বেশি বিদ্যুতের প্রয়োজন হয় না, যার ফলে আপনার বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্যভাবে কম আসে। কুলার খারাপ কিছু নয়, কিন্তু এটিকে এসির মতো ব্যবহার করা অনুচিত। কুলারের জন্য সবসময় একটি ভালোভাবে বাতাস চলাচল করে এমন জায়গা প্রয়োজন। যদি দরজা-জানালা বন্ধ রেখে কুলার চালান, তবে ঘরটি ঠান্ডা না হয়ে বরং বাষ্পে ভরে যাবে।

Advertisement

আঠালো ভাব কমানোর সহজ উপায়
প্রথম এবং সর্বাগ্রে, বায়ুচলাচল। ঘরের ভিতরের আর্দ্রতা বের হয়ে যাওয়ার জন্য অন্তত একটি জানালা খোলা রাখুন। দ্বিতীয়ত, জলের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করুন। প্যাডে অতিরিক্ত জল থাকলে বাতাস আরও আর্দ্র হয়ে উঠবে। তৃতীয়ত, কুলারের সঠিক অবস্থান। কুলারটি সবসময় একটি জানালা বা খোলা জায়গার কাছে রাখুন যাতে এটি বাইরের বাতাস টেনে নিতে পারে।

এই গ্রীষ্মে কুলারের সঙ্গে কোন গ্যাজেটগুলো কাজ করবে?
আপনি যদি আপনার কুলার ছাড়তে না চান কিন্তু এর ভেতরের চটচটে ভাব নিয়ে চিন্তিত থাকেন, তবে কিছু স্মার্ট গ্যাজেট সাহায্য করতে পারে। কিছু অত্যাধুনিক কুলারে আইস চেম্বার থাকে বরফ যোগ করতে পারেন। এটি এসির মতোই কয়েক ঘণ্টার জন্য ঠান্ডা বাতাস দেবে।

এগজস্ট ফ্যান
এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি ঘর থেকে আর্দ্র বাতাস বের করে দেয় এবং শীতল বাতাসের ভারসাম্য বজায় রাখে।

ডিহিউমিডিফায়ার
এটি বাতাস থেকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা দূর করে। কুলারের সঙ্গে একত্রে ব্যবহার করলে এটি বাতাসের চটচটে ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।

সিলিং ফ্যান বা টেবিল ফ্যান
কুলারের হাওয়া যদি সরাসরি না পৌঁছয়, তবে একটি ফ্যান সেই বাতাসকে পুরো ঘরে ছড়িয়ে দিয়ে ঘাম দ্রুত শুকোতে সাহায্য করে।

এয়ার সার্কুলেটর ফ্যান
এটি সাধারণ ফ্যানের চেয়ে বেশি শক্তিশালী এবং বাতাস আরও ভালোভাবে সঞ্চালন করে।

এসিই কি একমাত্র সমাধান?
এসি শুধু বাতাসকে ঠান্ডাই করে না, বরং আর্দ্রতাও কমায়, ফলে বাতাস কম চটচটে হয়। তবে, এসি কেনার সামর্থ্য সবার থাকে না। সঠিকভাবে একটি কুলার ব্যবহার করে এবং কয়েকটি ছোট গ্যাজেট যোগ করে, এসির সমতুল্য আরাম পেতে পারেন।

POST A COMMENT
Advertisement