কাওয়াসাকির এই রং সত্যিই আইকনিক।Kawasaki Z300: সবুজ রং। সাংঘাতিক স্পোর্টি আওয়াজ। সাঁই করে বেরিয়ে গেল। রাস্তাঘাটে কাওয়াসাকি নিনজা, Z900-এর মতো সুপারবাইক দেখে অনেকেই স্বপ্নে বিভোর হয়েছেন। কিন্তু সাধের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সাধ্য। এত টাকা দিয়ে বাইক কেনার ক্ষমতা আমজনতার নেই। টাকা থাকলেও সেই দামে গাড়ি কেনাই শ্রেয় বলে মনে করেন অনেকে।
তবে সেই ছবি কিছুটা হলেও বদলাতে পারে। মিড রেঞ্জের Z300 বাইক আনল Kawasaki। এর আগে ইন্টারন্যাশানাল মার্কেটে থাকলেও ভারতে সেভাবে এই বাইকের চল ছিল না। কম সিসি হওয়ায় দামও তুলনামূলকভাবে কম। তেলও কম খাবে। তবে লুকস ও পিকআপের দিক থেকে সেই Z900-এর DNA। ফলে যাঁরা অল্পের মধ্যেই সুপারবাইকের ফিল নিতে চান, তাঁদের জন্য পারফেক্ট।
লুকসের দিক থেকে সেই Z লাইনআপের ছায়া পাবেন। জাপানি ভাষায় এই ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজকে সুগোমি বলে। নেকড বাইক। সামনে সেই আইকনিক Z-শেপের হেডলাইট সেকশন। বিশাল, মাসকুলার ফুয়েল ট্যাঙ্ক। ২টি রঙে পাবেন, ক্যান্ডি লাইম গ্রিন/ইবনি এবং মেটালিক কার্বন গ্রে/ইবনি।
যাঁরা একেবারে ক্লাসিক কাওয়াসাকির লুক চান, তাঁরা গ্রিনটি নিতে পারেন। আর যাঁরা একটু স্টেলথি লুক প্রেফার করেন, তাঁদের জন্য কালো রং পারফেক্ট। যেটাই নিন, এই বাইক নিয়ে রাস্তা দিয়ে গেলে চারটে লোক ঘুরে দেখবেন, গ্যারান্টি।
ইঞ্জিন
কাওয়াসাকির ইঞ্জিন নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। 296 সিসি লিকুইড-কুলড, প্যারালাল টুইন মোটর। এই একই মোটর নিনজা 300-এ আছে। 11,000 rpm-এ 39.4 bhp এবং 10,000 rpm-এ 26.3 Nm টর্ক জেনারেট করে। বোঝাই যাচ্ছে, বেশ হাই পিকআপ।
সিক্স-স্পিড গিয়ারবক্স। সব মডেলেই স্লিপ-অ্যান্ড-অ্যাসিস্ট ক্লাচ পাবেন। কাওয়াসাকির স্পেশাল ডুয়াল-থ্রটল ভালভ টেকনোলজি আছে।
ফুয়েল ট্যাঙ্ক ক্যাপাসিটি 17 লিটার। যাঁরা লং ট্যুর করতে চান, তাঁদের জন্য দুর্দান্ত।
বাইকে 37 mm টেলিস্কপিক ফর্ক এবং ইউনি-ট্যাক মনোশক(রিয়ার) পাবেন। সামনে ও পিছনে 17 ইঞ্চির অ্যালয় পাবেন। সামনে 290 mm ও পিছনে 220 mm রিয়ার পেটাল ডিস্ক সেটআপ।
বলাই বাহুল্য, ডুয়াল চ্যানেল ABS স্ট্যান্ডার্ড হিসেবেই পাবেন। বাইকের গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স 140 mm। ওজন 175 কিলোগ্রাম।
LCD কনসোল পাবেন। স্পিডোমিটার, ট্যাকোমিটার, ফুয়েল গজ ও একটি ঘড়িও থাকছে।
দাম
Kawasaki Z300-এর দাম 3.24 লক্ষ টাকা(এক্স-শোরুম)। অন রোড সাড়ে তিনের উপর পড়বে। হ্যাঁ, 300 সিসি সেগমেন্টের অন্য বাইকগুলির তুলনায় যে দাম অনেকটাই বেশি তা বলাই যায়। কিন্তু কাওয়াসাকির ব্র্যান্ড ভ্যালু, লুকস, রোড প্রেজেন্স, ফিট-অ্যান্ড-ফিনিস কম্পিটিশনের তুলনায় কয়েক যোজন এগিয়ে।
এই রেঞ্জে অন্য অপশন কী?
এই একই ধরনের বাইক হিসেবে অন্য অল্টারনেটিভ KTM 390 Duke. তার দামও অনেকটাই কম। 38,664 টাকা কম পড়বে।