সামাজিক উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষায়, সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগী মাইক্রোফাইনান্স

মাইক্রোফাইনান্স বা ক্ষুদ্রঋণ শিল্প দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের দরিদ্র জনগণের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছে। ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের দরিদ্র মানুষকে কঠিন সময়ে সাহায্য করে আসছে। এই আর্থিক সংস্থাগুলি এখন পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচেতনতা প্রসারের কার্যসূচীও যোগ করেছে।

Advertisement
সামাজিক উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষায়, সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগী মাইক্রোফাইনান্সসামাজিক উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষায়, সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগী মাইক্রোফাইনান্স
হাইলাইটস
  • মাইক্রোফাইনান্স বা ক্ষুদ্রঋণ শিল্প দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের দরিদ্র জনগণের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছে।
  • ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের দরিদ্র মানুষকে কঠিন সময়ে সাহায্য করে আসছে।
  • এই আর্থিক সংস্থাগুলি এখন পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচেতনতা প্রসারের কার্যসূচীও যোগ করেছে।

মাইক্রোফাইনান্স বা ক্ষুদ্রঋণ শিল্প দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের দরিদ্র জনগণের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছে। ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের দরিদ্র মানুষকে কঠিন সময়ে সাহায্য করে আসছে। এই আর্থিক সংস্থাগুলি এখন পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচেতনতা প্রসারের কার্যসূচীও যোগ করেছে।

মাইক্রোফাইনান্স বা ক্ষুদ্রঋণ শিল্প দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের দরিদ্র জনগণের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছে ও তাদের সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলেছে। তাঁদের দৈনন্দিন রোজগারের একটা পথ তৈরী করে দেওয়ার জন্য জামানত-বিহীন (নন-কোল্যাটেরাল) ঋণ প্রদানের মাধ্যমে এই গরিব মহিলাদের কঠিন সময়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

একই ভাবে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি নিয়ে, যেমন ফিনান্সিয়াল লিটারেসি, মহিলাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, শিশুদের শিক্ষা এবং উন্নত পরিকাঠামোর মাধ্যমে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য বন্ধন এবং ভিলেজ ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেসের (ভিএফএস) মতো সংস্থাগুলি নিরন্তর কাজ করে চলেছে। এসব কর্মসূচির পাশাপাশি এই আর্থিক সংস্থাগুলি এখন পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচেতনতা প্রসারের কার্যসূচীও যোগ করেছে। তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তৈরি সমস্যা, যেমন অনিয়মিত বর্ষা, খরা, ফসল নষ্ট, ভূমিক্ষয় ইত্যাদির প্রথম আর সবচেয়ে বেশি প্রভাব গরিব মানুষ এবং তাঁদের জীবিকার উপর পড়বে। এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টায়, ঋণ প্রদানকারী সংস্থাগুলি বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে যোগ দিয়ে অথবা ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে চারাগাছের বিতরণের মাধ্যমে সমাজের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে এবং সচেতনার বার্তা দিচ্ছে। 

রাজ্যের এক অগ্রণী মাইক্রোফাইনান্স সংস্থা ভিএফএস পরিবেশ দূষণ রোধে এবং জল সংরক্ষণের জন্য কাজ করে চলেছে। সংস্থার কর্মচারীরা প্রত্যেক শাখার সঙ্গে যুক্ত ঋণগ্রহীতাদের নিয়ে পরিবেশ সুরক্ষা নিয়ে বিভিন্ন সচেতনতামুলক কর্মসূচি পালন করে থাকে। ঋণগ্রহীতাদের সঙ্গে নানান জায়গায় বৃক্ষরোপণ এখন ভিএফএসের রুটিন ক্রিয়াকলাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংস্থাটি কোভিডের সময়ে প্রত্যেক শাখায় 'বৃক্ষরোপণ এবং মাস্ক বিতরণের' এর অভিযান শুরু করেছে যাতে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য যত সম্ভব বৃক্ষরোপন করা যায় এবং মাস্ক বিতরণের মাধ্যমে গ্রামবাসীদের এই করোনাভাইরাস এর ইনফেকশন থেকে সুরক্ষিত রাখা যায় তার চেষ্টা চালিয়েছে।

Advertisement

সংস্থার এমডি ও সিইও কুলদীপ মাইতি বলেন, 'পরিবেশ সুরক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কারণ প্রকৃতির সাথে দরিদ্রদের খুবই প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে। উদাহরণস্বরূপ, গ্রামের অনেক গরিব মানুষজন শাল পাতার ডিসপোসেবাল খাবার প্লেট তৈরি করে নিজেদের জীবিকা চালান। পরিবেশ দূষণের জন্য যদি শাল গাছের ক্ষতি হয় তাহলে তার প্রথম প্রভাব এই মানুষদের জীবিকার উপর পড়বে।’

অন্যদিকে, বন্ধন এনকেডিএ-র নতুন প্রকল্প বন-মহোৎসবে যোগ দিয়েছে। এ বছর মোট ১ লক্ষ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেছে বন্ধন ব্যাংকের সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে নিযুক্ত শাখা বন্ধন কোন্নগর। এই সপ্তাহে সেই পরিকল্পনার বাস্তব রূপায়ণ শুরু হয়েছে নিউ টাউনে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও বন্ধনের এই বৃক্ষরোপন প্রকল্প বিহার, ঝাড়খন্ড, অসম ও রাজস্থানের মতো রাজ্যগুলিতেও বাস্তবায়িত করা হবে।
 

POST A COMMENT
Advertisement