প্লাস্টিকের ₹১০,২০-র নোটে অনুমতি দিল কেন্দ্র, কাগজের টাকার কী হবে?

শীঘ্রই সাধারণ মানুষ হাতে পাবে ১০, ২০ টাকার প্লাস্টিকের নোট। প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষামূলক হিসেবেই এই নোটগুলিকে বাজারে আনা হবে।

Advertisement
প্লাস্টিকের ₹১০,২০-র নোটে অনুমতি দিল কেন্দ্র, কাগজের টাকার কী হবে?প্লাস্টিকের ₹১০,২০-র নোটে অনুমতি দিল কেন্দ্র
হাইলাইটস
  • দেশে শীঘ্রই চালু হতে চলেছে ১০ ও ২০ টাকার পলিমার নোট বা প্লাস্টিকের নোট।
  • RBI-এর তরফে প্রস্তাবিত এই নোট চালুর বিষয়ে এবার গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।
  • প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষামূলক হিসেবেই এই নোটগুলিকে বাজারে আনা হবে।

দেশে শীঘ্রই চালু হতে চলেছে ১০ ও ২০ টাকার পলিমার নোট বা প্লাস্টিকের নোট। RBI-এর তরফে প্রস্তাবিত এই নোট চালুর বিষয়ে এবার গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। সংসদে এই তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষামূলক হিসেবেই এই নোটগুলিকে বাজারে আনা হবে। পরে সকলের জন্যই এই নোট বাজারে আসবে।

কত টাকার নোট বাজারে ছাড়া হবে?

মোদী সরকার সংসদে পলিমার (প্লাস্টিক) নোট সংক্রান্ত এই গুরুত্বপূর্ণ খবরটি জানিয়েছে। আরবিআই-এর প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে জানিয়ে সরকার বলেছে, ১০ এবং ২০ টাকার নোটে মোট ১০০ কোটি পলিমার নোটের উপর এই পরীক্ষা চালানো হবে। এই পরীক্ষা সফল হলে, এই প্লাস্টিকের নোটগুলো নিয়মিতভাবে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। 

বর্তমানে চালু কাগজের নোটগুলোর কী হবে? 

১০-২০ টাকার প্লাস্টিকের নোট চালু সম্পর্কে বলতে গিয়ে সরকার স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, এটি কোনও ভাবেই  বর্তমানে প্রচলিত কাগজের নোটগুলোকে প্রভাবিত করবে না। এর অর্থ হলো, কাগজের নোট বন্ধ করা হবে না, বরং পলিমার নোটের পাশাপাশি এই নোটও বাজারে চালু থাকবে। সরকার জানিয়েছে, বর্তমানে কাগজের মুদ্রাকে সম্পূর্ণরূপে পলিমার নোট দিয়ে বদলে ফেলার কোনও প্রস্তাব নেই।

বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, এই পলিমার বা প্লাস্টিক নোটের মেয়াদকাল বর্তমান কাগজের নোটের চেয়ে বেশি হবে। তবে, প্লাস্টিক নোট সংক্রান্ত এই প্রজেক্টটি এখনও পুরোপুরি পরীক্ষামূলক স্তরে রয়েছে। এই নোটগুলো নিয়মিতভাবে চালু হওয়ার পর ডিজিটাল পেমেন্টের উপর এর প্রভাব খতিয়ে দেখা হবে।

ভারত নতুন কিছু করছে না

ভারত নিঃসন্দেহে প্রথমবারের জন্য পলিমার নোট চালু করার প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু প্রথম ১৯৮৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় প্লাস্টিকের নোট  চালু হয়েছিল। এখন ৫০টিরও বেশি দেশে প্লাস্টিকের নোটেরই চল রয়েছে। এগুলিকে প্রচলিত কাগজের মুদ্রার চেয়ে বেশি টেকসই, নকল করা কঠিন এবং দীর্ঘস্থায়ী বলে মনে করা হয়, যা সরকারের টাকা ছাপানোর খরচ কমিয়ে দেয়।

Advertisement


 

POST A COMMENT
Advertisement