SIP Investment: মাসে ১৫ হাজার SIP-এ ১ কোটি, কতদিন লাগবে? জেনে নিন

ঠিক কীভাবে ১৫ হাজার টাকা করে জমিয়ে আপনি হয়ে যেতে পারেন কোটিপতি? তার উত্তরে বলি, সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা SIP করেই আপনি ১ কোটি টাকা জমিয়ে ফেলতে পারবেন। তাই ঝটপট গোটা বিষয়টা জেনে নিন। 

Advertisement
মাসে ১৫ হাজার SIP-এ ১ কোটি, কতদিন লাগবে? জেনে নিনSIP ইনভেস্টমেন্ট
হাইলাইটস
  • কীভাবে ১৫ হাজার টাকা করে জমিয়ে আপনি হয়ে যেতে পারেন কোটিপতি?
  • সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা SIP করেই আপনি ১ কোটি টাকা জমিয়ে ফেলতে পারবেন
  • ঝটপট গোটা বিষয়টা জেনে নিন

অনেকেই দ্রুত কোটিপতি হতে চান। আর সেটা হওয়া এখন কঠিন কিছু নয়। মাসে মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ করেই আপনি কোটিপতি হতে পারেন। মাত্র ১৫ হাজার টাকা প্রতিমাসে বিনিয়োগ করেই জমে যেতে পারে ১ কোটি।

এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কীভাবে ১৫ হাজার টাকা করে জমিয়ে আপনি হয়ে যেতে পারেন কোটিপতি? তার উত্তরে বলি, সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা SIP করেই আপনি ১ কোটি টাকা জমিয়ে ফেলতে পারবেন। তাই ঝটপট গোটা বিষয়টা জেনে নিন। 

SIP কী?
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, SIP বা সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড হল একটি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনি অনায়াসে মাসে মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা কোনও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। তাতেই সমস্যার সহজ সমাধান হবে। 

কত দিন লাগবে? 
যদি ধরা যায়, আপনি ১২ শতাংশ হারে ইনভেস্টমেন্ট করছেন, সেক্ষেত্রে মাসে ১৫ হাজার টাকা করে জমালে মাত্র ১৭ বছরে এ কোটি জমিয়ে ফেলতে পারবেন। আর এটা কোনও বিরাট রিটার্ন নয়। মিউচুয়াল ফান্ডে ইনভেস্ট করলে অনায়াসে এই পরিমাণ রিটার্ন পাওয়া যায়। 

এক্ষেত্রে ১৭ বছর অর্থাৎ ২০৪ মাস থাকবে হাতে। সেক্ষেত্রে ১৫ হাজার টাকা করে ইনভেস্ট করলে ২০৪ মাসে জমিয়ে ফেলবেন ৩০.৬ লক্ষ টাকা। আর রিটার্ন পাবেন মোটামুটি ৬৯.৪ লক্ষ। তাতে আপনার কাছে জমে যাবে ১ কোটি টাকা। 

যদি ১২ শতাংশ হারে রিটার্ন না পেয়ে ১০ শতাংশ হারে রিটার্ন পান, তাহলে সময় লাগতে পারে ১৯ বছর। 

তবে অনেক সময় আরও বেশি শতাংশ হারে রিটার্ন পাওয়া যায়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ বা তারও বেশি হারে রিটার্ন মেলে। আর তেমন পরিস্থিতিতে ১৫ বছরেই ছুঁয়ে ফেলতে পারেন ১ কোটি টাকা। 

কীভাবে মিউচুয়াল ফান্ড বেছে নেবেন?
যে কোনও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করলেই লাভ মিলবে না। বরং আপনাকে একটু সতর্ক হয়ে বিনিয়োগ করতে হবে। সঠিক ফান্ড বেছে নিতে হবে।

Advertisement

মাথায় রাখবেন, লার্জ ক্যাপ ফান্ড ঝুঁকি কিছুটা কম। আর স্মলক্যাপ আর মিডক্যাপে ঝুঁকি অনেকটাই বেশি। তাই সতর্ক থাকা জরুরি। নইলে বিনিয়োগে বিপদ বাড়বে।

 
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।

 

POST A COMMENT
Advertisement