PNG গ্রাহকদের বড় নির্দেশ কেন্দ্রেরমধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে ভারতে গ্য়াস সঙ্কটের ছবি এখন স্পষ্ট। দেশের বহু রেস্তোরাঁ জ্বালানির অভাবে বন্ধ করা হয়েছে বলে দাবি। যদিও কেন্দ্রের তরফে সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। দেশে যাতে গ্য়াস সঙ্কট না হয়, তা দেখতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। গ্যাস সিলিন্ডারের কালোবাজারি এবং অবৈধ মজুদ রোধে দেশজুড়ে চলছে অভিযান। এরইমধ্যে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিল পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক।
কেন্দ্রের নয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের যে গ্রাহকদের বাড়িতে PNG গ্যাসের কানেকশন রয়েছে। তাঁরা আর গার্হস্থ্য LPG সংযোগ রাখতে পারবেন না। এর অর্থ হল এই ধরণের গ্রাহকদের এখন নিজেদের LPG কানেকশনগুলিকে সারেন্ডার করতে হবে।
পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, যাদের PNG কানেকশন রয়েছে, তাঁরা সরকারি তেল কোম্পানিগুলির কাছ থেকে LPG সিলিন্ডার রিফিল পেতে পারবেন না। গার্হস্থ্য গ্যাস সিলিন্ডারগুলিকে আরও সুসংগঠিত ভাবে ডিস্ট্রিবিউশন করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে বাড়িগুলিতে পাইপের মাধ্যমে গ্য়াস পৌঁছায়, তাঁদের অনেকের বাড়িতেই বিকল্প হিসেবে একটি সিলিন্ডার মজুদ রাখেন। ফলে সরবরাহ সঙ্কটের সময় প্রাপ্যতা সঠিক করতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র।
কেন LPG সঙ্কট?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ফলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে করে দিয়েছিল ইরান। ফলে ভারতে এলপিজি এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ ব্যাহত হতে শুরু করে। কারণ, দেশে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ চাহিদার জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণে এলপিজি আমদানি করে নয়াদিল্লি। মজুদ দ্রুত শেষ হয়ে যেতেই আশঙ্কা দেখা যায়। দিল্লি ও মুম্বইয়ের মতো শহরে LPG সিলিন্ডার নেওয়ার জন্য কয়েকশো গ্রাহক লাইনে অপেক্ষায় থাকার মতো ছবি সামনে আসে।
শীঘ্রই অবস্থা স্বাভাবিক হতে পারে
তবে, শীঘ্রই এই অবস্থা কাটতে পারে। কারণ ভারতের জন্য স্পেশাল ভাবে হরমুজ প্রণালী খুলে দিয়েছে ইরান। সব ঠিক থাকলে ১৬ বা ১৭ মার্চ ভারতে আসতে পারে গ্যাস ভর্তি দুটি জাহাজ। যা প্রাথমিক ভাবে স্বস্তি দিতে পারে তেলের গ্যাস বাজারকে।