Oben Rorr Evo Electric Bike: রেকর্ড বুকিং একলাখি ইলেকট্রিক বাইকের, পেট্রোলের দামই কি কারণ?

ইলেকট্রিক মোটরসাইকেলের বিক্রি বাড়ছে। বুকিং ফিগার্সই তার প্রমাণ। লঞ্চের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই ২৫ হাজারের বেশি বুকিং হল ওবেন ইলেকট্রিকের নতুন বাইক ‘ওবেন রর ইভো’র (Oben Rorr Evo)।

Advertisement
রেকর্ড বুকিং একলাখি ইলেকট্রিক বাইকের, পেট্রোলের দামই কি কারণ? ১৫ দিনের মধ্যেই ২৫ হাজারের বেশি বুকিং।
হাইলাইটস
  • ইলেকট্রিক মোটরসাইকেলের বিক্রি বাড়ছে।
  • ২৫ হাজারের বেশি বুকিং হল ওবেন ইলেকট্রিকের নতুন বাইক ‘ওবেন রর ইভো’র (Oben Rorr Evo)।
  • বিশ্লেষকরা বলছেন, ১ লক্ষ টাকার কম ইন্ট্রোডাক্টরি প্রাইস দিয়েই বাজিমাত করেছে সংস্থা। 

ইলেকট্রিক মোটরসাইকেলের বিক্রি বাড়ছে। বুকিং ফিগার্সই তার প্রমাণ। লঞ্চের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই ২৫ হাজারের বেশি বুকিং হল ওবেন ইলেকট্রিকের নতুন বাইক ‘ওবেন রর ইভো’র (Oben Rorr Evo)। বেঙ্গালুরুর সংস্থার দাবি, দেশের ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল সেগমেন্টে এত কম সময়ে এত বেশি বুকিংয়ের ঘটনা বিরল। বিশ্লেষকরা বলছেন, ১ লক্ষ টাকার কম ইন্ট্রোডাক্টরি প্রাইস দিয়েই বাজিমাত করেছে সংস্থা। 

ইন্ট্রোডাক্টরি প্রাইস ৯৯,৯৯৯ টাকা (এক্স-শোরুম)। তবে সেই অফার শুধুমাত্র প্রথম ১০ হাজার ক্রেতার জন্য। তার পরে বাইকটির দাম বেড়ে দাঁড়াবে ১,২৪,৯৯৯ টাকা (এক্স-শোরুম)। ২০২৬ সালের জুন মাস থেকে ডেলিভারি শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংস্থা।

ভারতে ইলেকট্রিক বাইকের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সেই বাজার ধরতেই একাধিক সংস্থা নতুন মডেল আনছে। কিন্তু ওবেন রর ইভোর ক্ষেত্রে কম দাম, দীর্ঘ রেঞ্জ এবং আধুনিক ফিচারের মিশেলই ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সংস্থার দাবি, এই বাইকে ৩.৪ কিলোওয়াট আওয়ারের এলএফপি ব্যাটারি প্যাক রয়েছে। এক বার ফুল চার্জ দিলেই প্রায় ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারবে। এতে সংস্থার নিজস্ব IPMSM মোটর রয়েছে। সর্বোচ্চ ৯ কিলোওয়াট পাওয়ার এবং ২৫০ নিউটন মিটার হুইল টর্ক পাবেন বলে দাবি সংস্থার। 

পারফরম্যান্সের দিক থেকেও পেপার পারফর্ম্যান্স বেশ ইমপ্রেসিভ। সংস্থার দাবি, মাত্র ৩ সেকেন্ডে ০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতি তুলতে সক্ষম রর ইভো। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার। ফাস্ট চার্জিং সুবিধাও রয়েছে। মাত্র ৯০ মিনিটে ০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ করা যাবে ব্যাটারি।

শুধু পারফরম্যান্স নয়, ফিচারের তালিকাও দীর্ঘ। থাকছে ৫ ইঞ্চির কালার TFT ডিসপ্লে, OTA আপডেট, টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন, জিও-ফেন্সিং, রিমোট ইমোবিলাইজ়েশন এবং ফল ডিটেকশন-সহ ইমার্জেন্সি SOS ফিচার। রয়েছে SmartIQ প্রযুক্তি। সংস্থার দাবি, এর মাধ্যমে প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত রেঞ্জ বাড়তে পারে।

দৈনন্দিন ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে ১০ লিটার স্টোরেজ স্পেসও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সেগমেন্টের দীর্ঘতম সিট থাকার দাবিও করেছে সংস্থা। ফলে শহরের রোজকার অফিস যাতায়াত-বাজারঘাট থেকে শুরু করে লং রাইড; দুই ক্ষেত্রেই বাইকটি ব্যবহার করা যাবে বলে মনে করা যাবে।

Advertisement

বর্তমানে দেশের ১৮টি রাজ্যে ১০০-র বেশি শহরে ১৫০টিরও বেশি শোরুম এবং সার্ভিস সেন্টার রয়েছে ওবেন ইলেকট্রিকের। সংস্থা জানিয়েছে, ২০২৭ অর্থবর্ষের মধ্যে আরও ২০০টি এক্সক্লুসিভ শোরুম খোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। ফলে সার্ভিসিং নিয়েও ভয় অনেকটাই কম।

সংস্থার আরও দাবি, ব্যাটারি, মোটর, চার্জার, ভেহিকল কন্ট্রোল ইউনিট এবং সফ্টওয়্যার; অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ উপাদানই তারা নিজেদের কারখানায় তৈরি করে। বছরে ১ লক্ষ মোটরসাইকেল উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে সংস্থার।

পেট্রোলের দাম বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইলেকট্রিক বাইকের দিকে ঝোঁক বাড়াকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে অটোমোবাইল মহল। 

POST A COMMENT
Advertisement