Oben Rorr EVO: এক চার্জে কলকাতা টু দিঘা, দেদার বিক্রি এই ইলেকট্রিক বাইকের

Oben Rorr EVO: গত মে মাসে লঞ্চ হয়েছিল তাদের নতুন স্পোর্টি ইলেকট্রিক বাইক 'রোর ইভো' (Rorr Evo)। আর জুলাই মাসে অবশেষে সেই ইলেকট্রিক বাইকের ডেলিভারি শুরু করল সংস্থা।

Advertisement
এক চার্জে কলকাতা টু দিঘা, দেদার বিক্রি এই ইলেকট্রিক বাইকেরOben Rorr EVO: ইলেকট্রিক বাইকের ডেলিভারি শুরু করল সংস্থা।
হাইলাইটস
  • ভারতের বাজারে ইলেকট্রিক টু-হুইলার বলতে সবাই স্কুটারই বোঝে। 
  • ওলা বা রিভোল্টের মতো ব্র্যান্ডের ইলেকট্রিক বাইক আছে।
  • Oben Rorr EVO লঞ্চের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই এই বাইকটি ২৫ হাজারেরও বেশি বুকিং পেয়েছে।

ভারতের বাজারে ইলেকট্রিক টু-হুইলার বলতে সবাই স্কুটারই বোঝে। ইলেকট্রিক বাইকও আছে বাজারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে অপশন বেশ সীমিত। ওলা বা রিভোল্টের মতো ব্র্যান্ডের ইলেকট্রিক বাইক আছে। বাদবাকি আর তেমন বাজেট অপশন নেই। সেই মার্কেটেই এবার ঢুকল বেঙ্গালুরুর স্টার্ট-আপ ওবেন ইলেকট্রিক (Oben Electric)। গত মে মাসে লঞ্চ হয়েছিল তাদের নতুন স্পোর্টি ইলেকট্রিক বাইক 'রোর ইভো' (Rorr Evo)। আর জুলাই মাসে অবশেষে সেই ইলেকট্রিক বাইকের ডেলিভারি শুরু করল সংস্থা। ওবেন ইলেকট্রিক জানিয়েছে, বেঙ্গালুরুতে আয়োজিত বিশেষ ‘ফার্স্ট টু রোর’ ইভেন্টের মাধ্যমে প্রথম ব্যাচের গ্রাহকদের ই-বাইক ডেলিভারি করা হয়।

লঞ্চের মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই এই বাইকটি ২৫ হাজারেরও বেশি বুকিং পেয়েছে। কার্যত রেকর্ড। সাধ্যের মধ্যে দুর্দান্ত রেঞ্জ এবং স্পোর্টি লুক। এই দুই কারণেই বাইকটিকে ঘিরে দেশের বাইকপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে।

ইভি হলেও, দেখতে মন্দ নয়।
ইভি হলেও, দেখতে মন্দ নয়।

দাম কত?
এন্ট্রি-লেভেল সেগমেন্টেই রাখা হয়েছে ওবেন রোর ইভো। এক্স-শোভন স্টার্টিং প্রাইস ১.২৫ লক্ষ টাকা। সংস্থার দাবি, বিপুল চাহিদার কথা মাথায় রেখে বছরে ১ লক্ষ মোটরসাইকেল উৎপাদনের চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশের ১৮টি রাজ্যের ৯০টিরও বেশি শহরে ওবেনের ১৫০টি শোরুম থেকে ধাপে ধাপে এই ই-বাইকের দেশব্যাপী ডেলিভারি শুরু হবে।

এক চার্জে ১৮০ কিমি রেঞ্জ
ওবেন রোর ইভো-তে ইন্ডাস্ট্রি-ফার্স্ট ‘স্মার্টআইকিউ’ (SmartIQ) টেকনোলজি রয়েছে। বেসিকালি এটি একটি এআই (AI) চালিত রাইড অপ্টিমাইজেশন সিস্টেম। চালকের রাইডিং স্টাইল বুঝে বাইকের ব্যাটারির কার্যক্ষমতা প্রায় ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে, দাবি সংস্থার।

পিকআপ মারাত্মক: ৯ কিলোওয়াটের (9 kW) আইপিএমএসএম মোটর এবং ৩.৪ কিলোওয়াট-আওয়ারের (3.4 kWh) এলএফপি (LFP) ব্যাটারি রয়েছে। মাত্র ৩ সেকেন্ডের মধ্যে গাড়িটি ০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা স্পিড তুলতে পারে। সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার।

রেঞ্জ ও চার্জিং: ফুল চার্জে বাইকটি ১৮০ কিলোমিটারের (IDC Claimed) রেঞ্জ দেয়। ফাস্ট চার্জিং সাপোর্টের সাহায্যে মাত্র ৯০ মিনিটে এর ব্যাটারি ০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ হয়ে যায়। ব্যাটারির ওপর পুরো ৮ বছরের ওয়ারেন্টি দিচ্ছে কোম্পানি।

Advertisement

প্রিমিয়াম ফিচার্স ও স্টোরেজ
চওড়া টায়ার, প্রোজেক্টর এলইডি হেডেল্যাম্প এবং স্টাইলিশ শার্প লুক পাবেন। ৫ ইঞ্চির কালার টিএফটি ডিসপ্লে। ওটিএ (OTA) আপডেট, টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন, জিও-ফেন্সিং, রিমোট ইমোবিলাইজেশন এবং ‘আর্গাস’ কানেক্টেড প্ল্যাটফর্মের ফিচার্স রয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেল হওয়া সত্ত্বেও এতে হেলমেট বা প্রয়োজনীয় জিনিস রাখার জন্য আন্ডার-সিট ও ফ্রন্ট ট্যাংক মিলিয়ে মোট ১০ লিটারের স্টোরেজ স্পেস পাবেন। ফোন চার্জের জন্য ডুয়াল USB পোর্ট দেওয়া হয়েছে। কম বাজেটে যাঁরা একটু বড় চাকার ইলেকট্রিক টু-হুইলার খুঁজছেন, তাঁদের জন্য ওবেন রোর ইভো ভাল অপশন হতে পারে।। 

POST A COMMENT
Advertisement