ম দাম, লম্বা রেঞ্জ এবং ফাস্ট চার্জিং; সব মিলিয়ে এই বাইককে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে।নতুন মডেল Rorr Evo লঞ্চ করল Oben Electric। কম দাম, লম্বা রেঞ্জ এবং ফাস্ট চার্জিং; সব মিলিয়ে এই বাইককে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে। বিশেষ করে পেট্রল বাইকের বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক সেগমেন্টে এটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, Oben Rorr Evo-র প্রাথমিক এক্স-শোরুম দাম রাখা হয়েছে প্রায় ৯৯,৯৯৯ টাকা, যা নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রেতার জন্য প্রযোজ্য। এরপরই দাম বেড়ে প্রায় ১.২৫ লক্ষ টাকায় পৌঁছবে। বুকিং ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে, আর ডেলিভারি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা জুন ২০২৬ থেকে।
এই নতুন ইলেকট্রিক মোটরসাইকেলের অন্যতম বড় আকর্ষণ এর রেঞ্জ। সংস্থার দাবি, একবার চার্জে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারবে Rorr Evo। পাশাপাশি দ্রুত চার্জিং প্রযুক্তিও রয়েছে, যেখানে ০ থেকে ৮০ শতাংশ চার্জ হতে সময় লাগে প্রায় ৯০ মিনিট।
ডিজাইন ও পারফরম্যান্সের দিক থেকেও বেশ কিছু আপডেট আনা হয়েছে। বাইকটিতে রয়েছে ৩.৪ kWh LFP ব্যাটারি এবং একটি শক্তিশালী মোটর, যা সর্বোচ্চ প্রায় ১১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতি তুলতে পারে। শহুরে ব্যবহার এবং দৈনন্দিন কমিউট; দুই ক্ষেত্রেই এই বাইক কার্যকর হবে বলেই দাবি সংস্থার।
চোখে পড়ার মতো বিষয় হল, এই মডেলে Oben একটি ইন-হাউস ডেভেলপড মোটর ব্যবহার করেছে, যেখানে বিরল ধাতুর ব্যবহার কমানো হয়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ কমানোর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে।
ফিচারের দিক থেকেও পিছিয়ে নেই Rorr Evo। এতে রয়েছে আধুনিক কানেক্টিভিটি, ডিজিটাল ডিসপ্লে, এবং স্মার্ট রাইডিং ফিচার। সংস্থার দাবি, এই বাইকটি তরুণ প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে; যেখানে স্টাইল ও প্রযুক্তির মিশেল রাখা হয়েছে।
ভারতে ইলেকট্রিক ভেহিকলের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও উচ্চ ইথানল মিশ্রণ এবং বিকল্প জ্বালানির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে Oben-এর এই নতুন লঞ্চ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই বাইকের বাস্তব রেঞ্জ ও পারফরম্যান্স সংস্থার দাবির কাছাকাছি থাকে, তাহলে এটি মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে। কম খরচে চালানো, কম রক্ষণাবেক্ষণ; এই দুই দিকই ইলেকট্রিক বাইকের বড় সুবিধা।
সব মিলিয়ে, Oben Rorr Evo শুধু একটি নতুন বাইক নয়; বরং ভারতের ইলেকট্রিক টু-হুইলার বাজারে প্রতিযোগিতাকে আরও তীব্র করে তুলতে চলেছে। এখন দেখার, বাজারে এটি কতটা সাড়া ফেলে।