এসি কেনার টিপসবৈশাখ মাস পড়তে না পড়তেই গরমের পারদ চড়তে শুরু করে দিয়েছে। দেশের একাধিক জায়গায় চড়া রোদে নাজেহাল অবস্থা মানুষের। আর এই সময় বাড়িতে বাড়িতে এসির ব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে ঘর হোক বা অফিস, পুরনো এসি এখন আর সেভাবে ঠান্ডা দেয়না। তাই এখন প্রশিন হল এই এসি সারিয়ে নেওয়া উচিত নাকি একেবারে বদলে নতুন এসি কেনা উচিত।
এয়ার কন্ডিশন বা এসি একটি দামি জিনিসের মধ্যেই গণ্য করা হয়। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে উইনডো এসির দাম শুরু ২০-২২ হাজার। উইনডো এসির তুলনায় স্পিল্ট এসির দাম একটু হলেও বেশি। পুরনো এসি ঘরে থাকলে তা কখন বদলাতে হবে তা জানা খুবই দরকার। যদি এসির কুলিং কয়েল একেবারে লিকেজ হয়ে যায়, তাহলে নতুন এসি কেনা দরকার।
পুরনো এসির রেফ্রিজারেটর গ্যাস বার-বার শেষ হয়ে গেলে বা লিকেজ হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসলে, পুরনো এসি বদলে ফেলাই শ্রেয়। পুরনো এসি হঠাৎ করে ঘর ঠান্ডা করা বন্ধ করে দিলে, তা মেরামতির সময় একাধিক বড় ত্রুটি ধরা পড়ে, তাহলে এটা তৎক্ষণাত বদলে ফেলুন।
এসি ব্যবহারের পর আপনার যদি বিদ্যুৎ বিল খুব বেশি আসে, তাহলে বুঝতে হবে এসি বদলানোর সময় এসে গেছে। আপনি যদি আপনার পুরনো এসি ৮-১০ বছর ধরে ব্যবহার করে থাকেন, তবে সেটা খারাপ হয়ে গেলে, তা বদলে ফেলা উচিত। এছাড়াও, যদি দেখেন এসি মেরামতের খরচ নতুন এসি কেনার সমান বা তার বেশি হয়, তাহলে সেই অবস্থাতেই একটি নতুন এসি কেনা উচিত।
যদি আপনার এয়ার কন্ডিশনার আপনার বাড়িকে ভালভাবে ঠান্ডা না করে, বা অদ্ভুত শব্দ এবং ধোঁয়া বা পোড়ার মতো গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে তাহলে আপনার পুরানো ইউনিটটিও প্রতিস্থাপন করা উচিত।
এয়ার কন্ডিশনার এমন একটি মেশিন যা গরমে মানুষের কাছে আর্শীবাদ বয়ে আনে। একবার এসি কিনলে দীর্ঘদিন তা ব্যবহার করা হয়। সেজন্য আমাদের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক ইউনিট নির্বাচন করা এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য এর কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য এসির যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।