Onion Price hike উৎসবের মরশুমে দেশে বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। ফলে সংসার চালাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে আমজনতাকে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরেই পেঁয়াজের দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়েছে। তবে শুধু পেঁয়াজ নয়, চিনি, ভোজ্য তেল ও চালের দামও বেড়েছে। রিপোর্ট বলছে, শহরের তুলনায় গ্রামের মানুষের উপর এই মূল্যবৃদ্ধির চাপ বেশি পড়ছে। অক্টোবর মাসের আর্থিক পর্যালোচনা রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই কিছু তথ্য।
সেপ্টেম্বরে কতটা বেড়েছে জিনিসপত্রের দাম?
রিপোর্ট মোতাবেক, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে খুচরো মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ৫.৫৪ শতাংশ হয়েছে। অগাস্টের তুলনায় এই হার ০.৭১ শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়েছে। অন্যদিকে, খাবারদাবারের দাম বৃদ্ধির হারও বেড়ে ৭.৭৪ শতাংশে পৌঁছেছে। এর ফলে রোজকার বাজার করতে গিয়ে আগের চেয়ে বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে গ্রামের পরিবারগুলোর উপর চাপ বেশি পড়ছে।
শহরের তুলনায় গ্রামে দাম বেশি বাড়ছে!
সেপ্টেম্বরে গ্রামীণ এলাকায় খুচরো মুদ্রাস্ফাতির হার ছিল ৬.০৮ শতাংশ। শহরের ক্ষেত্রে এই হার ছিল ৪.৮৮ শতাংশ। খাবারের দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও শহরকে ছাপিয়ে গিয়েছে গ্রাম। সেপ্টেম্বরে শহরে যেখানে খদ্যপণ্যে মুদ্রাস্ফীতির হার ৭.১৮ শতাংশ, তা গ্রামের ক্ষেত্রে রেকর্ড হয়েছে ৮.০৬ শতাংশ।
পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০৮ শতাংশ!
রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় এ বছর সেপ্টেম্বরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০৮ শতাংশ। অর্থাৎ, পেঁয়াজ কিনতে এখন অনেকটাই বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ খরচ হচ্ছে।
অন্য জিনিসের দাম কত বেড়েছে?
শুধু পেঁয়াজ নয়, চিনির দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশ এবং গুড়ের দাম বেড়েছে ২৩ শতাংশ। পরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে ১৫ শতাংশ, চিনাবাদাম তেলের দাম ১৪ শতাংশ এবং চালের দাম বেড়েছে ৮ শতাংশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই জিনিসগুলোর দাম বাড়ায় মাসের শেষে সংসারের হিসাব মেলানো আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।