Petrol Diesel Price: দিনে ১০০০ কোটির লোকসান, ১৫ মে-র আগেই দাম বাড়ছে পেট্রোল-ডিজেলের?

একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানিগুলো প্রতিদিন বিপুল লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। যার সম্পূর্ণ বোঝা হয় কোম্পানিগুলোর নিজেদের উপর অথবা সরকারি কোষাগারের ওপর পড়ছে। ফলে, এই সপ্তাহের মধ্যেই পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Advertisement
দিনে ১০০০ কোটির লোকসান, ১৫ মে-র আগেই দাম বাড়ছে পেট্রোল-ডিজেলের?১৫ মে-র আগেই বাড়তে পারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম
হাইলাইটস
  • তেল কোম্পানিগুলো প্রতিদিন বিপুল লোকসানের মুখোমুখি হচ্ছে।
  • সম্পূর্ণ বোঝা কোম্পানিগুলোর নিজেদের উপর অথবা সরকারি কোষাগারের ওপর পড়ছে।
  • এই সপ্তাহের মধ্যেই পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে কার্যত বন্ধ হরমুজ প্রণালী। এই প্রণালী দিয়ে বিরাট অংশের অপরিশোধিত তেল আমদানি করে বিশ্বের একাধিক দেশ। সেই তালিকায় রয়েছে ভারতও। ফলে জ্বালানি নিয়ে বেকায়দায় পড়তে হচ্ছে অনেক দেশকে। যদিও কেন্দ্রের তরফে বারেবারে আশ্বাস দিয়ে বলা হয়েছে, দেশে যথেষ্ট পরিমাণে জ্বালানি মজুদ রয়েছে।

কেন দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে?

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর সময় আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের ব্যারেল প্রতি দাম ছিল ৭০ ডলার। সেই দর এখন এসে পৌঁছেছে ১২৬ ডলারে। তা সত্ত্বেও, দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম স্থিতিশীল রয়েছে, কিন্তু এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে, জ্বালানির দাম শীঘ্রই বাড়তে পারে। 

একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানিগুলো প্রতিদিন বিপুল লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। যার সম্পূর্ণ বোঝা হয় কোম্পানিগুলোর নিজেদের উপর অথবা সরকারি কোষাগারের ওপর পড়ছে। ফলে, এই সপ্তাহের মধ্যেই পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

একটি সূত্রের দাবি করে বিজনেস টুডে-র তরফে জানানো হয়েছে, সরকারি খাতের তেল কোম্পানিগুলো প্রতি মাসে প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকার বিশাল লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। এর জেরেই ১৫ মে-র আগে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হতে পারে।

কোন দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কত?

হংকং-এ পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি প্রায় ২৯৫ টাকা, সিঙ্গাপুরে প্রায় ২৪০ টাকা, নেদারল্যান্ডসে ২২৫ টাকা, ইতালিতে ২১০ টাকা এবং ব্রিটেনে প্রায় ১৯৫ টাকা। অন্যদিকে, ভারতে গত প্রায় ২ বছর পেট্রোল ও ডিজেলের দাম স্থির রয়েছে।

ভারতের অবস্থা অন্য অনেক দেশের থেকে ভালো

জ্বালানি সঙ্কটের কবলে পড়ে একাধিক দেশ একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশ জ্বালানি রেশনিং চালু করেছে, শ্রীলঙ্কা চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করেছে, পাকিস্তান সরকারি দফতরগুলোর কর্মঘণ্টা কমিয়েছে এবং দক্ষিণ কোরিয়া কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবার জ্বালানির দামের উপর 'প্রাইস ক্যাপ' চাপিয়েছে। তবে ভারতে এখনও  জ্বালানির ঘাটতি বা লম্বা লাইন চোখে পড়েনি।

Advertisement

অন্যদিকে, সম্প্রতি আবগারি শুল্ক কমানোর পরেও ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের মতো কোম্পানিগুলি  প্রতি মাসে প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকা লোকসান করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ধাক্কা সামলাতেই দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement