ব্যাঙ্কে PM Kisan-এর ১৪তম কিস্তির টাকা কবে-কীভাবে eKYC? জেনে নিন।PM Kisan Samman Nidhi: দেশের কৃষকদের আর্থিক সাহায্য দেওয়ার জন্য, কেন্দ্র সরকার পিএম কিষাণ সম্মান নিধি যোজনা (PM Kisan Samman Nidhi Yojana) চালু করেছিল। গত ফেব্রুয়ারিতে, যোগ্য কৃষকদের এই প্রকল্পের আওতায় ১৩তম কিস্তির টাকা দেওয়া হয়েছে। ১৪তম কিস্তির টাকাও শীঘ্রই দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় সরকার বছরে তিনটি কিস্তিতে দেশের কৃষকদের এই টাকা দেয়। কৃষকরা কেন্দ্রের থেকে বছরে ৬,০০০ টাকা করে অর্থ সাহায্য পান। প্রতি কিস্তিতে কৃষকরা ২,০০০ টাকা করে পান। এই অর্থ কৃষকদের চাষের সঙ্গে সম্পর্কিত তাদের ছোটখাটো খরচগুলির বোঝা লাঘব করতে সহায়ক হয়।
পিএম কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার (PM Kisan Samman Nidhi Yojana) আওতায় শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর কৃষকরা সুবিধা নিতে পারবেন। যোগ্য কৃষকদের এর জন্য আবেদন করতে হবে। পিএম কিষাণে কৃষকদের জমি, আয়ের উৎস এবং আরও কিছু শর্ত বিবেচনা করে যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় সেই সব কৃষক পরিবার আবেদন করতে পারে, যারা তাদের নিজের নামে নথিভুক্ত জমিতে চাষ করেই জীবিকা নির্বাহ করছে। পিএম কিষাণে এরকম আরও কিছু শর্ত রয়েছে।
আরও পড়ুন: উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট কবে? রইল সম্ভাব্য তারিখ
এই টাকা ডিবিটি-র মাধ্যমে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে। কৃষকরা পিএম কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার ১৩তম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। এখন তাঁরা সকলে এর ১৪তম কিস্তির টাকা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। কবে পাওয়া যেতে পারে এই টাকা? জেনে নিন...
PM Kisan-এর ১৪তম কিস্তির টাকা কবে?
পিএম কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার (PM Kisan Samman Nidhi Yojana) ১৪তম কিস্তির টাকা এপ্রিল ২০২৩ থেকে জুলাই ২০২৩-এর মধ্যে পাওয়ার কথা৷ এর আগে, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-এ ১৩তম কিস্তিও প্রকাশিত হয়েছিল। সূত্রের দাবি, মে মাসের শেষ সপ্তাহ বা জুনের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে পিএম কিষাণের ১৪তম কিস্তির টাকা কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পিএম কিষাণের টাকা পেতে, ই-কেওয়াইসি করা দরকার। কীভাবে করবেন জেনে? নিন...
PM Kisan-এর e-KYC কীভাবে?
PM-KISAN-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান।
এখানে ডানদিকে দেওয়া eKYC বিকল্পে ক্লিক করুন।
এখানে আধার নম্বর এবং ক্যাপচা কোড লিখে অনুসন্ধানে ক্লিক করুন।
এবার আধারের সঙ্গে লিঙ্ক করা মোবাইল নম্বর লিখুন।
OTP-এর জন্য ক্লিক করুন এবং নির্দিষ্ট জায়গায় OTP লিখুন। OTP ভেরিফিকেশনের পরেই eKYC হয়ে যাবে।