মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন রাজ্যের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের একাংশসোনা নিয়ে সরগরম গোটা দেশ। দিন কয়েক আগেই দেশবাসীকে এক বছরের জন্য সোনা কেনা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর তারপরেই বুধবার ফের বড় পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। এক ধাক্কায় বাড়ানো হয়েছে সোনা ও রুপোর উপর আমদানি শুল্ক। এরফলে চড়চড় করে বাড়বে সোনা ও রুপোর দাম। বলা যায় আমজনতার নাগালের বাইরে চলে যাবে সোনা ও রুপোর রেট। ফলে ব্যবসায়ীদের লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে অনেকটাই। তবে, দেশের স্বার্থে মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন রাজ্যের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের একাংশ।
ওয়েস্ট বেঙ্গল বুলিয়ন মার্চেন্টস অ্যান্ড জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশন-এর সঙ্গে যুক্ত মি. চন্দ্র নামে এক ব্যবসায়ী bangla.aajtak.in -কে জানান, "এই মুহূর্তে বৈশ্বিক পরিস্থিতির জেরে সোনার বাজার অস্থির রয়েছে। যার জেরে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার উপর চাপ পড়ছে। অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সতর্ক ভাবে ডলার খরচ হবে। নইলে দুর্দিন আসতে পারে। ফরেন এক্সচেঞ্জ সঞ্চয় করে রাখা অত্যন্ত জরুরি।"
তিনি বলেন, "অর্থনীতি বাঁচাতে গেলে কড়া ডোজ দিতেই হবে। এর আগে অন্য সরকারও এই পদক্ষেপ নিয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত সঠিক। এই কারণেই সোনার আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে।"
মি. চন্দ্র বলেন, "সোনার দাম বাড়লে ব্যবসার ক্ষতি হবে, সেটা ঠিক। কিন্তু সবার আগে আমরা ভারতীয়। এই মুহূর্তে দেশের পাশে থাকা উচিত। ব্যবসায়ীদের খুবই সমস্যা হবে ঠিকই, কিন্তু এছাড়া কোনও পথও নেই।"
আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে
প্রসঙ্গত, বুধবার বাড়ানো হয়েছে সোনা ও রুপোর উপর আমদানি শুল্ক। এরফলে চড়চড় করে বাড়বে সোনা ও রুপোর দাম। আগের সোনার উপর আমদানি শুল্ক ছিল ৬ শতাংশ। কিন্তু নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১০ শতাংশ বেসিক কাস্টমস ডিউটি ও ৫ শতাংশ এগ্রিকালচার ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেস দিতে হবে। অর্থাৎ এই দুই মিলিয়ে সোনা ও রুপোর উপর আমদানি শুল্ক বেড়ে হচ্ছে ১৫ শতাংশ।