বিশ্বের বৃহত্তম শস্য বিমা প্রকল্প এবার বাংলায়
গত শনিবার দেশের প্রায় ৯ কোটি কৃষকের অ্যাকাউন্ডে কৃষক সম্মান নিধি যোজনার টাকা পাঠিয়েছে মোদী সরকার। সেই টাকা পেয়েছেন রাজ্যের কৃষকরাও। এর মধ্যে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই ৪৫ লক্ষেরও বেশি কৃষকের অ্যাকাউন্টে ৯০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ স্থানান্তর করা হয়েছে, ফলে রাজ্যে এই প্রকল্পের অধীনে মোট বিতরণের পরিমাণ ১৫,০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
এবার বাংলার কৃষকদের জন্য শুরু হল প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা। এই প্রকল্পের আওতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলের বড় ক্ষতি হলে কৃষকরা আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত ২০ জুন হুগলি জেলার তারকেশ্বর থেকে কিষাণ যোজনার ২৩তম কিস্তি প্রকাশ করেন এবং বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা (PMFBY)-ও চালু করেন। এই শস্য বিমা প্রকল্পটি চালু হওয়ায় বাংলার কৃষকরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে খরা, বন্যা এবং শিলাবৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতির ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে।
পশ্চিমবঙ্গে পিএম শস্য বিমা প্রকল্প চালু হয়েছে
পশ্চিমবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা (PMFBY) চালু করা হয়েছে, যার ফলে রাজ্যের প্রায় ৫০ লক্ষ কৃষক উপকৃত হচ্ছেন। এর প্রধান উদ্দেশ্য হল খরা, বন্যা, শিলাবৃষ্টি এবং কীটপতঙ্গের উপদ্রবের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলের ক্ষতির জন্য কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করা।
প্রধানমন্ত্রী মোদী এই প্রকল্পটি চালু করেছেন
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘পিএম কিষাণ’-এর ২৩তম কিস্তি চালু করার মাধ্যমে বাংলার কৃষকদের জন্য আরও একটি প্রকল্প শুরু করেছেন। ‘পিএম শস্য বিমা প্রকল্প’ এখন পশ্চিমবঙ্গে বাস্তবায়িত হয়েছে। এখানকার কৃষকরা এখন তাঁদের ফসলের বিমা করতে পারবেন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ পাবেন।
প্রধানমন্ত্রী শস্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা
কীভাবে আবেদন করবেন?
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৫০ লক্ষ কৃষক এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন। প্রায় ১৪ লক্ষ হেক্টর কৃষি জমি এর আওতাভুক্ত হবে এবং ফসলের আনুমানিক বিমাকৃত মূল্য ২৮,১৪০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। সরকার কৃষকদের প্রিমিয়ামের একটি বড় অংশ বহন করবে, যার ফলে তাঁরা স্বল্প খরচে ব্যাপক বিমা সুরক্ষা পাবেন।