PNB Account Alert: এই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট থাকলে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে সারুন এই কাজ, নইলে বন্ধ হতে পারে

PNB Account Alert: ব্যাঙ্ক সূত্রের খবর, যে সমস্ত অ্যাকাউন্টে গত তিন বছর বা তার বেশি সময় ধরে কোনও রকম লেনদেন হয়নি এবং যেগুলির কেওয়াইসি প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে, সেই অ্যাকাউন্টগুলিকেই চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৫ এপ্রিলের ডেডলাইনের পর ওই অ্যাকাউন্টগুলি ‘ইনঅপারেটিভ’ বা নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হবে।

Advertisement
এই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট থাকলে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে সারুন এই কাজ, নইলে বন্ধ হতে পারে

আপনি কি পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের (PNB) গ্রাহক? তবে আপনার জন্য এক অত্যন্ত জরুরি ও সময়োপযোগী সতর্কবার্তা জারি করেছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে চিরতরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে আপনার প্রিয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি। ২০২৬-এর এই অর্থবর্ষের শুরুতেই লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের পকেটে টান পড়ার আশঙ্কায় দানা বেঁধেছে উদ্বেগ। ব্যাঙ্কের দাবি, কেওয়াইসি (KYC) আপডেট বা দীর্ঘদিনের লেনদেনহীন অ্যাকাউন্টগুলির বিরুদ্ধেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিড়লা-রাজের আভিজাত্য যেমন স্বচ্ছতা ও নিয়মের ওপর টিকে থাকে, দেশের অন্যতম বৃহৎ এই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কও ঠিক তেমনই স্বচ্ছ ব্যাঙ্কিং পরিষেবা বজায় রাখতে কোমর বেঁধে নেমেছে।

ব্যাঙ্ক সূত্রের খবর, যে সমস্ত অ্যাকাউন্টে গত তিন বছর বা তার বেশি সময় ধরে কোনও রকম লেনদেন হয়নি এবং যেগুলির কেওয়াইসি প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে, সেই অ্যাকাউন্টগুলিকেই চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৫ এপ্রিলের ডেডলাইনের পর ওই অ্যাকাউন্টগুলি ‘ইনঅপারেটিভ’ বা নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হবে। এর ফলে টাকা তোলা বা জমা দেওয়া, সমস্ত পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে। শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি পিএনবি শাখায় ইতিমধ্যেই ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। চৈত্র শেষের এই ব্যস্ত সময়ে দাঁড়িয়ে আমজনতার নাভিশ্বাস উঠলেও, জালিয়াতি রুখতে এবং ব্যাঙ্কিং সুরক্ষা মজবুত করতে এই পদক্ষেপ অপরিহার্য বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

পিএনবি-র এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, যাঁদের অ্যাকাউন্টে এই সমস্যা রয়েছে, তাঁদের মোবাইল নম্বরে ইতিমধ্যে এসএমএস (SMS) পাঠানো হয়েছে। অ্যাকাউন্ট সচল রাখতে গ্রাহকদের অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট হোম ব্রাঞ্চে গিয়ে পরিচয়পত্র ও ঠিকানার প্রমাণপত্র সহ নতুন করে কেওয়াইসি জমা দিতে হবে। ২০২৬-এর এই ডিজিটাল যুগে দাঁড়িয়ে ব্যাঙ্ক জালিয়াতির রমরমা রুখতেই এই কড়াকড়ি। চৈত্র শেষের রাজনৈতিক প্রচার আর ছুটির মেজাজের মাঝেই ব্যাঙ্কের এই ‘হুলিয়া’ মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। তাই দেরি না করে আপনার নিকটবর্তী শাখায় যোগাযোগ করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement