কিষান বিকাশ পত্রআপনি কি এমন স্কিমের খোঁজ করছেন, যেখানে টাকা ডাবল হয়ে যায়? তাহলে পোস্ট অফিসের একটা স্কিম আপনার জন্য পারফেক্ট হতে পারে। ভাবছেন কোন স্কিমের কথা বলছি? তাহলে শুনুন, কিষান বিকাশ পত্রের কথা বলা হচ্ছে। এই স্কিমে আপনি মাত্র ১১৫ মাসে টাকা ডাবল করে ফেলতে পারেন। এই স্কিমে বেশ ভাল ইন্টারেস্ট দেয় সরকার।
সরকারের গ্যারান্টি রয়েছে
অনেকেই এমন জায়গায় টাকা রাখতে চান, যেখানে টাকা থাকে সুরক্ষিত। আর ভাল খবর হল, পোস্ট অফিসের এই স্কিমেও সম্পূর্ণ সুরক্ষা পাবেন। এই স্কিমে রাখা টাকার গ্যারেন্টি নেয় সরকার নিজে। অর্থাৎ এই স্কিমে রয়েছে জিরো রিস্ক। তাই মাথা ব্যথা না বাড়িয়ে এই স্কিমে নিশ্চিন্তে টাকা ইনভেস্ট করে ফেলতে পারেন। বাম্পার রিটার্ন পাবেন।
সুদ কত?
বিশেষজ্ঞরা কিষান বিকাশ পত্রকে টাকা ডাবল করার স্কিম বলে থাকেন। এই স্কিমে বাম্পার টাকা পাওয়া যায়। এতে ৭.৫ শতাংশ হারে সুদ মেলে। প্রতিবছর এই টাকাটা ইন্টারেস্ট হিসেবে দেওয়া হয়। তাতেই একটা সময় ডাবল হয়ে যায় টাকা।
কতদিনে টাকা ডাবল?
এই হিসেবটা অনেকেই জানতে চাইছেন। তাদের বলি, এই স্কিমে ১১৫ মাসে টাকা ডাবল করা যায়। আরও নির্দিষ্ট করে বললে ৯ বছর ৭ মাসে টাকা ডাবল হয়ে যায়। তাই বিশেষজ্ঞরা অনেকেই এই স্কিমের দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন। এখানে বিনিয়োগ করলে নিশ্চিন্তে টাকা ডাবল করে ফেলতে পারবেন।
কীভাবে বিনিয়োগ করবেন?
সবার প্রথমে পোস্ট অফিসে ১০০০ টাকা দিয়ে একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। তারপরই কিষান বিকাশ পত্রে ইনভেস্ট করে ফেলতে পারবেন।
১০ লক্ষ টাকা হবে ২০ লক্ষ
এবার একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। ধরুন আপনি ১০ লক্ষ টাকার কিষান বিকাশ পত্র কিনলেন। তাতে বছরে ৭.৫ শতাংশ হারে সুদ পাবেন। তাহলে বছর শেষেই আপনার টাকাটা গিয়ে দাঁড়াবে ১০.৭৫ টাকা। দ্বিতীয় বছর শেষে সেই টাকাটা দাঁড়াবে ১১,৫৫,৬২৫ টাকা। তারপরের বছর টাকাটা গিয়ে দাঁড়াবে ১২,৪২,২৯৭ টাকা। এভাবে ৯ বছর ৭ মাসে গিয়ে এর ম্যাচুরিটির সময় চলে আসবে। তখন আপনি ২০ লক্ষ টাকা পেয়ে যাবেন।
তবে আপনাকে যে ১০ লক্ষ টাকাই ইনভেস্ট করতে হবে, এমনটা নয়। বরং আপনি যতটা পারেন, ঠিক তত টাকাই ইনভেস্ট করুন।
বিদ্র: এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে শুধুই স্কিমের বিষয়ে জানান হয়। বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।