Post Office Scheme: মাত্র ৪০০ টাকা বিনিয়োগে ৭০ লক্ষ! পোস্ট অফিসের দুর্দান্ত স্কিম

পোস্ট অফিসের দুর্দান্ত প্রকল্পে মাত্র ৪০০ টাকা প্রতিদিন বিনিয়োগ করলে রিটার্ন মিলবে ৭০ লক্ষ। সঠিক পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করলে ভবিষ্যতে বড় রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জানুন আবেদনের পদ্ধতি...

Advertisement
মাত্র ৪০০ টাকা বিনিয়োগে ৭০ লক্ষ! পোস্ট অফিসের দুর্দান্ত স্কিমPost Office-এর এই স্কিমে মাসে মাসে নিশ্চিত রিটার্ন।
হাইলাইটস
  • পোস্ট অফিসের এই প্রকল্পে ৪০০ বিনিয়োগে মিলবে ৭০ লক্ষ
  • সঠিক পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করলে ভবিষ্যতে বড় রিটার্ন
  • আবেদনের পদ্ধতি জানুন

পোস্ট অফিসের একাধিক সরকারি প্রকল্প রয়েছে যেখানে বিনিয়োগ করলে ম্যাচিওরিটির পর কোনও ঝুঁকি ছাড়া ভাল রিটার্ন দেয়। বেশিরভাগ সময়েই পোস্ট অফিসের কম ছাড়ের প্রকল্পগুলিতে কম বিনিয়োগ করে থাকেন গ্রাহকরা। তবে সেক্ষেত্রে ম্যাচিওরিটির পর বড় অঙ্কের টাকা পাওয়া সম্ভব হয় না। সঠিক পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করলে ভবিষ্যতে বড় রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জেনে নিন পোস্ট অফিসের কোন প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে ভাল প্রফিট পাবেন-

পোস্ট অফিসের একটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্প হল সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা। ২০১৫ সালে চালু করা হয় এই প্রকল্প। বর্তমানে সুকন্যা সমৃদ্ধির যোজনা প্রকল্পের অ্যাকাউন্টে বার্ষিক ৮.২ শতাংশ হারে সুদ পাওয়া যায়। এই সুদের হার অন্য অনেক প্রকল্পের তুলনায় বেশি। এই অ্যাকাউন্টে বছরে ন্যূনতম ২৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমানো যায়।

কত টাকা পাওয়া যাবে?

কত টাকা পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে টাকা জমা দেওয়ার পরিমাণের ওপর। একজন প্রায় ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। যখন এই অ্যাকাউন্ট খোলা হবে তখন যদি শিশুকন্যার বয়স ৫ বছর থাকে এবং তার নামে প্রতি বছর দেড় লাখ টাকা জমা হয়, তাহলে তার বয়স ২১ বছর হলে তিনি ফেরত পারেব ৬৯ লক্ষ টাকার বেশি পরিমাণ টাকা।  ১৫ বছর ধরে দেড় লক্ষ টাকা করে জমা দিলে সুদ হিসাবেই পাবেন প্রায় ৪৭ লক্ষ টাকা।

কারা এই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে?
সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় অ্যাকাউন্ট খোলার সময়ে মেয়ের বয়স ১০ বছরের মধ্যে হতে হবে। ওই শিশুকন্যা এবং তার বাবা-মা বা আইনি অভিভাবককে অবশ্যই ভারতীয় হতে হবে। এক ব্যক্তি, তার দুটি মেয়ের জন্য এই প্রকল্পে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।

কীভাবে আবেদেন?
যে কোন ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের শাখায় এই যোজনায় অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে। বার্থ সার্টিফিকেট, বাবা-মায়ের ফটো আইডি, ভোটার বা আধার কার্ড, ঠিকানার প্রমাণ দেখাতে হবে। বয়স ২১ বছর পূর্ণ হলে এর মেয়াদ শেষ হয়। তবে, তার বয়স ১৮ বছর হওয়ার পরেও তা থেকে টাকা তোলা যায়।

Advertisement

৪০০ টাকায় ৭০ লক্ষ
এই প্রকল্পের ম্যাচিওরিটির পর ৭০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন হলে প্রতিদিন ৪০০ টাকা করে জমা করতে হবে। অর্থাৎ মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা। যা বছরে দাঁড়াবে দেড় লক্ষ টাকায়। ২১ বছর বয়স হলে মোট ৬৯ লক্ষ ২৭ হাজার ৫৭৮ টাকা জমা হবে অ্যাকাউন্টে। 

 

POST A COMMENT
Advertisement