Post Office Scheme: পোস্ট অফিসের এই স্কিমে মাসে ২০,৫০০ টাকা আয়, কত জমাতে হবে?

Post Office SCSS Scheme 2026: মাসে মাসে নির্দিষ্ট টাকা ইনকাম। এটাই চান বেশিরভাগ মানুষ। বিশেষ করে অবসরের পর নিয়মিত আয় থাকলে জীবন নিশ্চিন্ত। পোস্ট অফিসেই এমন ভাল স্কিম আছে। সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম (SCSS) এ ঠিকভাবে বিনিয়োগ করলেই এটা সম্ভব।

Advertisement
পোস্ট অফিসের এই স্কিমে মাসে ২০,৫০০ টাকা আয়, কত জমাতে হবে?সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম (SCSS) এ ঠিকভাবে বিনিয়োগ করলেই এটা সম্ভব।
হাইলাইটস
  • অবসরের পর নিয়মিত আয় থাকলে জীবন অনেকটাই নিশ্চিন্ত হয়।
  • একবার টাকা রাখলেই নিয়মিত সুদের আয় পাওয়া যায়।
  • হিসাব বলছে, নির্দিষ্ট বিনিয়োগে মাসে প্রায় ₹২০,৫০০ পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।

Post Office SCSS Scheme 2026: মাসে মাসে নির্দিষ্ট টাকা ইনকাম। এটাই চান বেশিরভাগ মানুষ। বিশেষ করে অবসরের পর নিয়মিত আয় থাকলে জীবন নিশ্চিন্ত। পোস্ট অফিসেই এমন ভাল স্কিম আছে। সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম (SCSS) এ ঠিকভাবে বিনিয়োগ করলেই এটা সম্ভব। কারণ, এই স্কিমে একবার টাকা রাখলেই নিয়মিত সুদের আয় পাওয়া যায়। হিসাব বলছে, নির্দিষ্ট বিনিয়োগে মাসে প্রায় ২০,৫০০ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। এই স্কিমের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ কী? নিরাপত্তা। পোস্ট অফিসের স্কিম হওয়ায় এতে সরকারের গ্যারান্টি থাকে। ফলে ঝুঁকি কার্যত শূন্য। অনেকেই এটিকে ‘জিরো রিস্ক’ স্কিম বলেন। শুধু তাই নয়, ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের তুলনায় এখানে সুদের হারও বেশি। বর্তমানে এই স্কিমে বছরে ৮.২ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হচ্ছে।

কারা বিনিয়োগ করতে পারবেন?
এই স্কিম মূলত প্রবীণ নাগরিকদের জন্য। ৬০ বছর বা তার বেশি বয়স হলে সহজেই অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে বয়সে ছাড়ও রয়েছে। যেমন, VRS নেওয়া ব্যক্তি ৫৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হলেও আবেদন করতে পারেন। আবার ডিফেন্স থেকে অবসর নেওয়া কর্মীর ক্ষেত্রেও ৫০ বছরের বেশি বয়স হলেই সুযোগ রয়েছে।

কত টাকা বিনিয়োগ করা যাবে?
এই স্কিমে এককালীন টাকা জমা দিতে হয়। সিঙ্গল অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ₹১৫ লক্ষ পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। আর জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট হলে সেই সীমা ₹৩০ লক্ষ পর্যন্ত। অনেকেই স্বামী-স্ত্রী মিলে এই জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খুলে থাকেন।

কীভাবে মাসে ২০,৫০০ টাকা পাবেন?
ধরা যাক, কোনও ব্যক্তি ৩০ লক্ষ টাকা এই স্কিমে জমা করলেন। ৮.২ শতাংশ সুদের হিসাবে বছরে মোট সুদ হবে ২,৪৬,০০০ টাকা। এই সুদ প্রতি তিন মাসে দেওয়া হয়। অর্থাৎ, প্রতি ত্রৈমাসিকে পাওয়া যাবে ৬১,৫০০। সেটিকে মাসে ভাগ করলে দাঁড়ায় প্রায় ২০,৫০০ টাকা। এই আয় পুরো পাঁচ বছর ধরে চলবে।

Advertisement

মেয়াদ 
এই স্কিমের মেয়াদ ৫ বছর। চাইলে পরে আরও ৩ বছর বাড়ানো যায়। এছাড়া আয়কর আইনের ৮০C ধারায় করছাড়ের সুবিধাও পাওয়া যায়, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য বাড়তি বেনেফিট।

মনে রাখবেন
তবে কিছু নিয়ম রয়েছে। সময়ের আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলে জরিমানা দিতে হয়। আর সুদের টাকা করযোগ্য আয়ের মধ্যে ধরা হয়। তাই বিনিয়োগের আগে সব নিয়ম ভালো করে জেনে নেওয়া জরুরি।

এই স্কিম এত জনপ্রিয় কেন?
বর্তমানে বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। শেয়ার মার্কেট হোক বা অন্য বিনিয়োগ; ঝুঁকি থাকেই। সেখানে এই ধরনের সরকারি স্কিম অনেক বেশি নিরাপদ। বিশেষ করে যাঁরা ঝুঁকি নিতে চান না, তাঁদের কাছে SCSS একটি ভালো অপশন। 

দ্রষ্টব্য: শেয়ার, বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলি বাজার পর্যবেক্ষণ মাত্র। এগুলি বিনিয়োগের পরামর্শ নয়। বাজারে বিনিয়োগের আগে অবশ্যই পড়াশোনা করুন এবং বিশেষজ্ঞের সাহায্য গ্রহণ করুন।

POST A COMMENT
Advertisement