পুরুলিয়া-আনন্দ বিহার এক্সপ্রেসের সূচনা করেছেন মোদী, জানুন সম্পূর্ণ টাইম টেবিল

পুরুলিয়া থেকে সরাসরি আনন্দ বিহার রুটে ট্রেনের উদ্বোধন করেছেন নরেন্দ্র মোদী। গতকালই ট্রেনটির উদ্বোধনী যাত্রাও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ট্রেনটি আসলে কখন পুরুলিয়া থেকে ছেড়ে আনন্দ বিহার স্টেশনে পৌঁছবে, তা ইতিমধ্যেই রেলের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে

Advertisement
পুরুলিয়া-আনন্দ বিহার এক্সপ্রেসের সূচনা করেছেন মোদী, জানুন সম্পূর্ণ টাইম টেবিলকখন পুরুলিয়া থেকে ছেড়ে দিল্লি পৌঁছবে পুরুলিয়া-আনন্দ বিহার এক্সপ্রেস?
হাইলাইটস
  • বাংলায় একগুচ্ছ রেল সংক্রান্ত পরিষেবা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • ট্রেনটি কখন পুরুলিয়া থেকে ছেড়ে আনন্দ বিহার স্টেশনে পৌঁছবে?
  • ট্রেনটি কোন কোন স্টেশনে দাঁড়াবে?

শনিবারই ব্রিগেডে সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে বাংলায় একগুচ্ছ রেল সংক্রান্ত পরিষেবা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরমধ্যে যেমন রয়েছে ৬টি অমৃত ভারত স্টেশনের শিলান্যাস, তেমনই পুরুলিয়া থেকে সরাসরি আনন্দ বিহার রুটে ট্রেনের উদ্বোধন করেছেন নমো। গতকালই ট্রেনটির উদ্বোধনী যাত্রাও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ট্রেনটি আসলে কখন পুরুলিয়া থেকে ছেড়ে আনন্দ বিহার স্টেশনে পৌঁছবে, তা ইতিমধ্যেই রেলের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে। 

নতুন ট্রেনের টাইম টেবিল বুঝে নিন- 

পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ১৪০২১ পুরুলিয়া–আনন্দ বিহার এক্সপ্রেস প্রতি শুক্রবার বিকেল ৫টায় পুরুলিয়া থেকে ছাড়বে এবং পরের দিন রাত ১১টা ১০ মিনিটে আনন্দ বিহার টার্মিনালে পৌঁছাবে।

ফিরতি পথে ১৪০২২ আনন্দ বিহার -পুরুলিয়া এক্সপ্রেস প্রতি বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় আনন্দ বিহার টার্মিনাল থেকে ছাড়বে। পরের দিন সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে ট্রেনটি পুরুলিয়া পৌঁছবে।

ট্রেনটি কোন কোন স্টেশনে দাঁড়াবে?

যাত্রাপথে ট্রেনটি মুরি, রাঁচি, লোহারদাগা, টোরি, বারওয়াডিহ, লাতেহার, ডাল্টনগঞ্জ, গড়ওয়া রোড, জাপলা, দেহরি অন সোন, সাসারাম, ভাবুয়া রোড, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়, বারাণসী, অযোধ্যা ক্যান্ট, লখনউ, বেয়ারেলি এবং মোরাদাবাদ স্টেশনে থামবে এই ট্রেন।

রেলের তরফে কী বলা হয়েছে?

নতুন এই ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং দিল্লির মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে। এই ট্রেন পরিষেবার মাধ্যমে রাজ্যগুলির মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরি হবে। ট্রেনটি পরিবার, পড়ুয়া ও কর্মজীবী মানুষের মধ্যে সরাসরি ও সফরের সুযোগ করে দেবে। এর ফলে সাধারণ নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও পর্যটনস্থানে যাওয়া সহজ হবে। বিশেষ করে তীর্থযাত্রী ও প্রবীণ নাগরিকদের সুবিধা হবে। 

POST A COMMENT
Advertisement