Local Train Ticket: মান্থলির থেকেও সস্তায় পাবেন লোকাল ট্রেনের টিকিট, জানুন কীভাবে

নিত্যযাত্রীদের লোকাল ট্রেনে যাতায়াত মানেই মাসের শুরুতে মান্থলি। রোজ টিকিট কাটার ঝামেলা নেই। খরচও কম। তবে আরেকটু বুদ্ধি খাটালেই আরও কিছুটা টাকা বাঁচানো সম্ভব। রেলের ডিজিটাল অ্যাপ ব্যবহার করে স্মার্ট উপায়ে টিকিট কাটলে খরচ কমবে, সময়ও বাঁচবে।

Advertisement
মান্থলির থেকেও সস্তায় পাবেন লোকাল ট্রেনের টিকিট, জানুন কীভাবেরেলের ডিজিটাল অ্যাপ ব্যবহার করে স্মার্ট উপায়ে টিকিট কাটলে খরচ কমবে, সময়ও বাঁচবে।
হাইলাইটস
  • প্রতিদিন লোকাল ট্রেনে যাতায়াত?
  • শুধু মান্থলি টিকিট কাটলেই হবে না।
  •  একটু বুদ্ধি খাটালেই অনেকটা টাকা বাঁচানো সম্ভব।

নিত্যযাত্রীদের লোকাল ট্রেনে যাতায়াত মানেই মাসের শুরুতে মান্থলি। রোজ টিকিট কাটার ঝামেলা নেই। খরচও কম। তবে আরেকটু বুদ্ধি খাটালেই আরও কিছুটা টাকা বাঁচানো সম্ভব। রেলের ডিজিটাল অ্যাপ ব্যবহার করে স্মার্ট উপায়ে টিকিট কাটলে খরচ কমবে, সময়ও বাঁচবে। ‘Rail One’ অ্যাপ ব্যবহার করে কোয়ার্টারলি বা হাফ ইয়ার্লি টিকিটও কাটা যায়। অনেকদিন ধরেই নিত্যযাত্রীদের কাছে মান্থলি টিকিট সবচেয়ে জনপ্রিয়। কিন্তু অনেকেই জানেন না, কোয়ার্টারলি, হাফ-ইয়ারলি বা অ্যানুয়াল পাস নিলে প্রতি মাসের গড় খরচ অনেকটাই কমে যায়। অর্থাৎ একবারে কিছুটা বেশি টাকা খরচ করতে হলেও দীর্ঘমেয়াদে লাভ। পাশাপাশি প্রতি মাসে টিকিট রিনিউ করার ঝামেলাও কমে যায়। 

রেল সূত্রে জানা যাচ্ছে, কোয়ার্টারলি বা তিন মাসের পাস নিলে সাধারণত মান্থলি টিকিটের তুলনায় প্রায় ৮ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত খরচ কম হয়। আবার হাফ-ইয়ারলি বা ছয় মাসের পাসে সেই সাশ্রয় আরও বাড়ে। উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, কোন্নগর থেকে হাওড়ার মান্থলি টিকিটের দাম ১০০ টাকা। সেখানে তিন মাসের পাস নিলে খরচ হচ্ছে ২৬০ টাকা। অর্থাৎ প্রায় ৪০ টাকা কম পড়ছে। অ্যানুয়াল পাসের ক্ষেত্রে সাশ্রয় সবচেয়ে বেশি। মোট হিসেব করলে প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কম খরচ হতে পারে। তাই যাঁরা প্রতিদিন একই রুটে অফিস বা পড়াশোনার জন্য যাতায়াত করেন, তাঁদের জন্য এটি অত্যন্ত লাভজনক।

আগে  টিকিট কাটতে লাইনে দাঁড়াতে হত। এখন কয়েক মিনিটেই মোবাইল থেকেই সব কাজ সেরে ফেলা যায়। প্রথমে অ্যাপ ডাউনলোড করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর নিজের যাত্রাপথ নির্বাচন করে পাসের ধরন বেছে নিতে হবে, মান্থলি, কোয়ার্টারলি, হাফ-ইয়ারলি বা অ্যানুয়াল। অনলাইন পেমেন্ট করুন। ব্যস, দ্রুত টিকিট বুক হয়ে যাবে। টিকিট চেকারকে দেখানোর জন্য আলাদা প্রিন্ট নেওয়ারও দরকার নেই, অ্যাপেই ডিজিটাল পাস দেখালেই হবে।

শুধু টাকা নয়, সময়ও বাঁচবে। ভিড়ের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার ঝামেলা কমবে। বিশেষ করে কলকাতা এবং শহরতলির ব্যস্ত রুটে যাঁরা প্রতিদিন যাতায়াত করেন, তাঁদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ ভাল।

Advertisement

তবে একটি বিষয় মাথায় রাখবেন। হাফ-ইয়ার্লি বা অ্যানুয়াল পাস নেওয়ার আগে অতদিন আদৌ যাতায়াত করবেন কিনা হিসেব করে নিন। কারণ মাঝপথে ব্যবহার বন্ধ করলে কোনও রিফান্ডের ব্যবস্থা নেই। তাই নিশ্চিত হয়ে তবেই কোয়ার্টারলি বা অ্যানুয়াল পাস নিন।

POST A COMMENT
Advertisement