Retirement Planning India: ২৫ হাজারের Salary-তেও কোটিপতি হওয়া সম্ভব, '৭০:১৫:১৫' ফর্মুলা শিখে নিন

Retirement Planning India: প্রাইভেট চাকরিজীবীদের সবচেয়ে বড় চিন্তা রিটায়ারমেন্ট। বয়স বাড়লে নিয়মিত আয় বন্ধ হয়ে গেলে কীভাবে জীবন চলবে? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খায় অনেকের মনে।

Advertisement
২৫ হাজারের Salary-তেও কোটিপতি হওয়া সম্ভব, '৭০:১৫:১৫' ফর্মুলা শিখে নিনপদ্ধতি মেনে চললেই ধীরে ধীরে বড়সড় রিটায়ারমেন্ট ফান্ড গড়ে তুলতে পারবেন।
হাইলাইটস
  • প্রাইভেট চাকরিজীবীদের সবচেয়ে বড় চিন্তা রিটায়ারমেন্ট।
  • মাইনে বন্ধ হয়ে গেলে কীভাবে জীবন চলবে?
  • পদ্ধতি মেনে চললেই ধীরে ধীরে বড়সড় রিটায়ারমেন্ট ফান্ড গড়ে তুলতে পারবেন।

Retirement Planning India: প্রাইভেট চাকরিজীবীদের সবচেয়ে বড় চিন্তা রিটায়ারমেন্ট। মাইনে বন্ধ হয়ে গেলে কীভাবে জীবন চলবে? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খায় অনেকের মনে। বিশেষত যাঁদের বেতন একটু কমের দিকে, তাঁদের কাছে অবসর পরিকল্পনা করা খুব কঠিন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা থাকলে অল্প বেতনে কাজ করেও ভবিষ্যতের জন্য বড় অঙ্কের সঞ্চয় গড়ে তোলা সম্ভব। তারই একটি সহজ ফর্মুলা দিলেন বিশেষজ্ঞরা। ‘৭০:১৫:১৫’ ফর্মুলা। নিয়মিত এই পদ্ধতি মেনে চললেই ধীরে ধীরে বড়সড় রিটায়ারমেন্ট ফান্ড গড়ে তুলতে পারবেন। কীভাবে? আসুন জেনে নেওয়া যাক। 

এই ৭০:১৫:১৫ ফর্মুলা কী?
এই পদ্ধতিতে মাসিক আয়কে তিন ভাগে ভাগ করতে হয়।

  • ৭০ শতাংশ খরচের জন্য
  • ১৫ শতাংশ এমার্জেন্সি ফান্ড
  • ১৫ শতাংশ বিনিয়োগ

প্রথম ৭০ শতাংশ দিয়ে সংসার চালাতে হবে। এর মধ্যে সমস্ত দৈনন্দিন খরচ; বাড়িভাড়া, বাজার, বিল, সন্তানের পড়াশোনা।

পরের ১৫ শতাংশ রাখা উচিত জরুরি প্রয়োজনে। হঠাৎ অসুখ বা অন্য কোনও বিপদের সময় এই অর্থ কাজে লাগবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শেষ ১৫ শতাংশ। এই অংশটুকু নিয়মিত বিনিয়োগ করতে হবে। SIP বা রেকারিং ডিপোজিটের মতো কোথাও জমাতে থাকতে হবে।

SIP করুন বুঝেশুনে 
SIP এমন একটি বিনিয়োগ পদ্ধতি, যেখানে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা হয়। এতে দীর্ঘমেয়াদে ‘কম্পাউন্ডিং’-এর সুবিধা পাওয়া যায়। অর্থাৎ, আপনার টাকার উপর যে সুদ বা রিটার্ন তৈরি হয়, তা-ও আবার বিনিয়োগে যুক্ত হয়ে আরও বড় অঙ্কে পৌঁছয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, SIP-এ প্রতি বছর বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। একে বলা হয় ‘স্টেপ-আপ SIP’। আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি প্রতি বছর ১০ শতাংশ করে বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, তবে দীর্ঘমেয়াদে বিপুল তহবিল তৈরি হতে পারে।

২৫ হাজার বেতনে কতটা সম্ভব?
ধরা যাক, কারও মাসিক আয় ২৫ হাজার টাকা। ৭০:১৫:১৫ ফর্মুলা মেনে চললে, তিনি প্রতি মাসে প্রায় ৩,৭৫০ টাকা SIP-তে বিনিয়োগ করতে পারেন।

ধরুন এই বিনিয়োগ ২৫ বছর ধরে চালিয়ে গেলেন। মাইনেও বাড়ল। পাল্লা দিয়ে প্রতি বছর ১০ শতাংশ করে বিনিয়োগের অঙ্ক বাড়াতে থাকলেন। ধরুন SIP-তে আনুমানিক ১২ শতাংশ বার্ষিক রিটার্ন পেলেন। সেক্ষেত্রে প্রায় ১০.৬৮ কোটি টাকার ফান্ড তৈরি হতে পারে।

Advertisement

মোট বিনিয়োগ হবে প্রায় ২.৯৫ কোটি টাকা। আর বাকি প্রায় ৭.৭৩ কোটি টাকা আসবে শুধুমাত্র রিটার্ন বা মুনাফা থেকে।

অল্প বয়সেই শুরু করুন
বিশেষজ্ঞদের মতে, অবসর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে সময়ই সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর। যত তাড়াতাড়ি শুরু করা যাবে, ততই কম টাকায় বড় ফান্ড তৈরি করা সম্ভব।

ছোট অঙ্ক দিয়ে শুরু করলেও, নিয়মিত বিনিয়োগ এবং ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করলে ভবিষ্যতে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

কী কী মাথায় রাখবেন?

  • আয় বাড়লে বিনিয়োগ বাড়ান
  • এমার্জেন্সি ফান্ড ও মেডিকেল বিমা করে রাখুন
  • লং টার্ম টার্গেট সেট করুন
  • বাজারের ঝুঁকি বুঝে বিনিয়োগ করুন
  • জীবনের প্রথম ১০ বছর অযথা টাকা অপচয় এড়ান

এই সামান্য বিষয়গুলি মেনে চললেই, সীমিত আয়ের মধ্যেও ভবিষ্যত সিকিওর করে নেওয়া সম্ভব। মনে রাখবেন, আজকের সঞ্চয়ই আমাদের ভবিষ্যতের আয়।  

দ্রষ্টব্য: শেয়ার, বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলি বাজার পর্যবেক্ষণ মাত্র। এগুলি বিনিয়োগের পরামর্শ নয়। বাজারে বিনিয়োগের আগে অবশ্যই পড়াশোনা করুন এবং বিশেষজ্ঞের সাহায্য গ্রহণ করুন।

POST A COMMENT
Advertisement