নতুন Himalayan 440 নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা তুঙ্গে।নতুন মোটরসাইকেল আনছে রয়্যাল এনফিল্ড। লঞ্চের আগেই ডিলারশিপে দেখা মিলল Royal Enfield Himalayan 440-এর। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর লঞ্চ। নতুন Himalayan 440 নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা তুঙ্গে। বিশেষ করে Scram 440-এর সঙ্গে এই বাইকের পার্থক্য কোথায়, তা নিয়েই সবার কৌতূহল বেশি। নতুন Himalayan 440 মূলত Himalayan 411-এর লুকস এবং Scram 440-এর 440 সিসি ইঞ্জিন মিলিয়ে তৈরি বলে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ নতুন মডেলে খুব বেশি নতুন কিছু নেই। সিম্পল অ্যাডভেঞ্চার বাইক। আর এই সিমপ্লিসিটিকেই USP করতে চাইছে সংস্থা।
Scram 440-এর মতোই ইঞ্জিন, একই চ্যাসি
Royal Enfield Scram 440-এ রয়েছে LS440 ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন ২৫.৪ হর্সপাওয়ার জেনারেট করে ৬,২৫০ rpm-এ। পিক টর্ক ৩৪ Nm, ৪,০০০ rpm-এ। পুরনো LS411 ইঞ্জিনের তুলনায় শক্তি এবং টর্ক; দু'টিই বাড়তে পারে।
Himalayan 440-তেও একই ইঞ্জিন ব্যবহার করা হতে পারে। Himalayan 411 এবং Scram 411-এ একই ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই কারণেই নতুন Himalayan-এর ক্ষেত্রেও ইঞ্জিনে বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।
Scram 440-এর থেকে বড় পার্থক্য কোথায়?
Himalayan 440 এবং Scram 440-এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হতে পারে চাকা এবং সাসপেনশন সেটআপে। Scram 440-এ সামনে ১৯ ইঞ্চি এবং পিছনে ১৭ ইঞ্চির চাকা রয়েছে। অন্য দিকে, ডিলারশিপে দেখা Himalayan 440-এ সামনে ২১ ইঞ্চির ওয়্যার-স্পোকড চাকা দেখা গিয়েছে।
চাকার সঙ্গে টিউবড টায়ারও থাকতে পারে। এই সেটআপ অনেকটাই পুরনো Himalayan 411-এর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। তবে Himalayan 440-এর একাধিক ভ্যারিয়েন্ট বাজারে আসবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বেশি দামি ভ্যারিয়েন্টে ক্রস-স্পোকড রিম এবং টিউবলেস টায়ার দেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে। এগুলি অ্যাক্সেসরিজ হিসাবেও পাওয়া যেতে পারে।
এ ছাড়াও Himalayan 440-এ Scram 440-এর তুলনায় সাসপেনশনের ট্র্যাভেল কিছুটা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে খারাপ রাস্তা বা অফ-রোডে বাইকটির সক্ষমতা বাড়তে পারে।
Himalayan 411-এর মতোই
নতুন Himalayan 440-এর ডিজাইন অনেকটাই Himalayan 411-এর মতো রাখা হয়েছে। ফলে পুরনো Himalayan-এর ভক্তদের জন্য এটি ভাল খবর হতে পারে। তবে মিটার কনসোলে বড় পরিবর্তন রয়েছে।
Himalayan 411-এর চারটি আলাদা পডের বিমান-ককপিটের মতো দেখতে ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টারের বদলে Himalayan 440-এ অপেক্ষাকৃত সরল ডুয়াল-পড সেটআপ দেখা গিয়েছে। এর ফলে ট্যাকোমিটার না থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। Scram 440-তেও ট্যাকোমিটার নেই।
নতুন বাইকে Tripper navigation pod থাকতে পারে। সেটা হলে Google Maps-এর সাহায্যে টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন পাবেন। তবে কম দামের কোনও ভ্যারিয়েন্টে শুধু স্পিডোমিটারও দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।