Royal Enfield Scram 450। ২০২৭ সালে এই বাইক বাজারে আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের বাইকপ্রেমীদের জন্য বড় খবর। Himalayan 450 এবং রোডস্টার Guerrilla 450-এর পর একই প্ল্যাটফর্মে আসতে চলেছে আরও একটি নতুন মডেল। Royal Enfield Scram 450। ২০২৭ সালে এই বাইক বাজারে আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। নতুন এই Scram 450 মূলত Himalayan ও Guerrilla-র মাঝামাঝি একটি মডেল হতে চলেছে। ফলে শহর ও অফ-রোড; দুই ক্ষেত্রেই ব্যালান্সড পারফরম্যান্স পাবেন।
Scram 450-তে ৪৫২ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার লিকুইড-কুলড ‘Sherpa’ ইঞ্জিন থাকবে। এই ইঞ্জিন নিয়ে কোনও চাপ নেই। Himalayan 450 ও Guerrilla 450-এ এই ইঞ্জিনই ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে যথেষ্ট tested। এই ইঞ্জিন থেকে প্রায় ৪০ হর্সপাওয়ার শক্তি এবং ৪০ Nm টর্ক থাকতে পারে। তবে Scram-এর জন্য ইঞ্জিন টিউনিং আলাদা হতে পারে।
ডিজাইনের দিক থেকেও বেশ কিছু পরিবর্তন থাকছে। এই বাইকে ২১ ইঞ্চির বদলে ১৯ ইঞ্চির ফ্রন্ট হুইল দেওয়া হতে পারে, যা শহরের রাস্তায় চালানো সহজ করবে। পিছনে ১৭ ইঞ্চির চাকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ডুয়াল-পারপাস টায়ার থাকায় এই বাইক অফ-রোডেও স্বচ্ছন্দে চলতে পারবে।
সাসপেনশনের ক্ষেত্রে সামনে USD ফর্ক এবং পিছনে মনোশক থাকবে। Himalayan-এর মতো লং ট্রাভেল সাসপেনশন না হলেও, মাঝামাঝি ট্রাভেল দেওয়া হতে পারে, যাতে কমফোর্ট ও কন্ট্রোল; দুটোই বজায় থাকে।
Scram 450-এর সিট ডিজাইন হবে একেবারে আলাদা। একটি স্কুপড সিঙ্গল-পিস সিট থাকবে, যা দীর্ঘ রাইডে আরাম দেবে। বাইকের সাইডে নম্বর বোর্ডের মতো ডিজাইন এলিমেন্ট থাকতেও পারে, যা এটিকে আরও স্টাইলিশ করে তুলবে। পাশাপাশি, Himalayan-এর মতোই থাকবে উঁচু ‘বীক’ ডিজাইন, যা অফ-রোডিংয়ের সময় মাটি বা পাথরের ছিটা থেকে রাইডারকে রক্ষা করবে।
ফিচারের দিক থেকেও পিছিয়ে থাকবে না এই বাইক। এতে থাকতে পারে রাউন্ড TFT ডিসপ্লে, যেখানে স্মার্টফোন কানেক্টিভিটির মাধ্যমে Google Maps ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া ডুয়াল-চ্যানেল ABS, রাইডিং মোড এবং স্লিপ/অ্যাসিস্ট ক্লাচের মতো আধুনিক সুবিধাও থাকতে পারে।
দামের দিক থেকে Scram 450 সম্ভবত Guerrilla 450 ও Himalayan 450-এর মাঝামাঝি থাকবে। অর্থাৎ, আনুমানিক ২.৬০ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকার মধ্যে (এক্স-শোরুম) দাম হতে পারে বলে অনুমান।
সব মিলিয়ে, Royal Enfield Scram 450 এমন একটি বাইক হতে চলেছে, যা শহরের রাস্তা ও অ্যাডভেঞ্চার; দুটো দুনিয়াকেই একসঙ্গে ধরতে চাইছে। ২০২৭-এ লঞ্চ হলে এই বাইক বাজারে নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি করবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।