স্টক মার্কেট ক্র্যাশআজ, বৃহস্পতিবার পড়ে গেল ভারতের শেয়ারবাজার। লালে লাল সেনসেক্স এবং নিফটি। আজ বাজার খোলার ৩০ মিনিটের মধ্যেই ৫০০ পয়েন্ট তলিয়ে যায় সেনসেক্স। এছাড়া ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ বা নিফটিও সেই সময় ১৫০ পয়েন্ট পড়ে যায়। ইন্ডিগো, জোম্যাটো এবং বিইএল-এর দাম কমেছে অনেকটাই।
সেনসেক্স এবং নিফটিতে বড় পতন
বৃহস্পতিবার শুরুতেই পড়ে যায় স্টক মার্কেট। সেনসেক্স শুরুই করে ৮৩৭৫৭.৫৪ পয়েন্টে। আগের দিনের ক্লোজিংয়ের থেকে কিছুটা নেমেই শুরু করে বাজার। তারপর ৩০ মিনিটের মধ্যে আরও তলিয়ে যায় সূচক। এটি পৌঁছে যায় ৮৩৩১২ পয়েন্টে।
ও দিকে খারাপ অবস্থা রয়েছে নিফটিরও। ২৫৭৫৫.৯০ পয়েন্ট শুরু করে এই সূচক। তারপর ১৬৪ পয়েন্ট পড়ে যায় নিফটি। এই সূচক নেমে যায় ২৫৬১২.৯০ পয়েন্টে।
বিদেশ থেকেই আসছিল নেগেটিভ সিগন্যাল
আসলে বাজার যে খারাপ দিকে মোড় নেবে, এটা বোঝাই যাচ্ছিল। জাপানের নিক্কেই ৫০০ পয়েন্ট পড়েছে। হংকং-এর হ্যাংসেং ৩৫০ পয়েন্ট এবং কোরিয়ার কোসপি ১৮০ পয়েন্ট নেমেছিল। যার ফলে সেনসেক্স এবং নিফটির হালও হয়েছে খারাপ।
কোন কোন স্টকের অবস্থা খারাপ?
আজ খুবই খারাপ অবস্থা স্টক মার্কেটের। একাধিক স্টক পতনের মুখ দেখেছে। ইন্ডিগো পড়েছে ২.৩০ শতাংশ, বিইএল ২ শতাংশ এবং ইটারনাল ২ শতাংশ নেমেছে। পতন হয়েছে মিডক্যাপ সেক্টরেও। সেখানে টিইন্ডিয়া ৮ শতাংশ, ডিক্সন ৫ শতাংশ, ইউপিএল ৩ শতাংশ এবং সুজলন ২.১০ শতাংশ নেমেছে। আবার রেডিঙ্গটন ৫ শতাংশ, টিমকেন শেয়ার ৪.৫০ শতাংশ এবং এমসিএক্স ৪.৪০ শতাংশ তলিয়ে গিয়েছে।
এছাড়া রিলায়েন্স, বাজাজ ফিনান্স, আদানি পোর্টস, টাটা স্টিল এবং এইচডিএফসি শেয়ারও রয়েছে রেড জোনে।
সোনা এবং রুপোর দামেও ক্র্যাশ
স্টক মার্কেটের পাশাপাশি নেমেছে সোনা এবং রুপোর দামও। এটি পড়েছে অনেকটাই। ৫ মার্চ এক্সপায়ারির ১ কেজি রুপোর দাম কমেছে ২৪০০০ টাকা। ও দিকে ২৪০০ টাকা কমে গেল এপ্রিল ২ এক্সপায়ারির সোনার দাম।
তাই এই সময় একটু চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। তারপরই না হয় বিনিয়োগ করবেন।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।