এআই দ্বারা নির্মিত ছবিGold Silver Price: বিয়ের মরশুমের মুখে সোনা না কি রুপো, কোন ধাতুতে বিনিয়োগ করা লাভজনক, তা নিয়ে এখন সরগরম বাজার। চৈত্র মাসের এই তপ্ত দুপুরে সোনার দাম যখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, ঠিক তখনই রুপোর বাজারে দেখা গেল উল্টো ছবি। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং চাহিদার হেরফেরে এক ধাক্কায় রুপোর দাম তার সর্বোচ্চ শিখর থেকে প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে।
সোমবার বাজার খুলতেই দেখা গেল, রুপোর এই ব্যাপক দরপতন বিনিয়োগকারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেললেও, স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিশেষ করে যাঁরা রুপোর গয়না বা বাসনপত্র কেনার পরিকল্পনা করছিলেন, তাঁদের জন্য এটি এক সুবর্ণ সুযোগ হতে পারে।
বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত কয়েক মাসে রুপো যেভাবে চড়চড়িয়ে বাড়ছিল, এই পতন কিছুটা অপ্রত্যাশিত। তবে সোনার ক্ষেত্রে চিত্রটা এক্কেবারে ভিন্ন। ২৪ ক্যারেট ১০ গ্রাম খাঁটি সোনার দাম এখনও মধ্যবিত্তের পকেটে টান দিচ্ছে। বিশ্ববাজারে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে লগ্নিকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার দিকেই ঝুঁকছেন। এর ফলেই হলুদ ধাতুর দাম কমার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে, রুপোর শিল্পক্ষেত্রে চাহিদা কিছুটা কম থাকায় এই ধাতুর দামে বড়সড় ধস নেমেছে।
কলকাতার বুলিয়ন মার্কেটের ব্যবসায়ীদের মতে, রুপোর দাম এই স্তরে নেমে আসা মানেই কেনাকাটার ধুম বাড়বে। তবে সোনার দাম চড়া থাকায় ছোট গয়নার দোকানে বিক্রিবাটা কিছুটা স্তিমিত। আগামী কয়েক দিনে রুপোর দাম আরও পড়ে কি না, নাকি ফের ঘুরে দাঁড়ায়, এখন সেদিকেই নজর সকলের। আপনি যদি সঞ্চয়ের কথা ভাবেন, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে রুপোর বিনিয়োগ কতটা লাভজনক হবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। আপাতত রুপোর এই ‘হাফ প্রাইস’ ধামাকা মধ্যবিত্তের হেঁশেলে খুশির হাওয়া বইয়ে দিয়েছে।