১ কোটি পেতে কত টাকার SIP?কোটিপতি হওয়া আর বড় স্বপ্ন নয়। বরং একটু হিসেব করে চললেই আপনি কোটি টাকা জমিয়ে ফেলতে পারেন। এটা কোনও বড় টার্গেটই নয়। তাই এখন থেকে কোটি টাকা জমিয়ে ফেলার একটা প্ল্যান করে নিন। এক্ষেত্রে মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমিয়েই ১৫ বছরে কোটপতি হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।
এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কীভাবে এই লক্ষ্যে পৌঁছন সম্ভব? তাহলে শুনুন মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা SIP করতে হবে। ব্যাঙ্কে টাকা না রেখে মিউচুয়াল ফান্ডে করতে হবে বিনিয়োগ। তাহলেই দেখবেন অনায়াসে জমিয়ে ফেলতে পারবেন এক কোটি টাকা।
মিউচুয়াল ফান্ডেই রাখতে হবে ভরসা
ব্যাঙ্কে যা সুদ দেয়, তা দিয়ে আর যাই হোক, কোটিপতি হওয়া যাবে না। তাই কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখলে আপনাকে মিউচুয়াল ফান্ডে টাকাটা বিনিয়োগ করতে হবে।
এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, স্টক মার্কেটে টাকা বিনিয়োগ কোনও কঠিন বিষয় নয়। বরং খুব সহজেই আপনি এখানে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে যে কোনও ট্রেডিং অ্যাপের মাধ্যমেই আপনি স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ করতে পারবেন।
এক্ষেত্রে আপনি যেই টাকাটা প্রতি মাসে রাখবেন, সেটা মিউচুয়াল ফান্ডের কোনও সংস্থা একাধিক স্টকে বিনিয়োগ করবে। তাতেই মিলবে বাম্পার রিটার্ন। এমনকী ঠিকমতো হিসেব করে চললে ১৫ বছরেই আপনি কোটিপতি পর্যন্ত হয়ে যেতে পারেন। আসুন সেই হিসেবটা জেনে নেওয়া যাক।
১৫ বছরে কোটিপতি হওয়ার হিসেব জানুন...
কোটিপতি হতে চাইলে আপনাকে কয়েকটি হিসেব জানতে হবে, যেমন ধরুন-
১. আপনি যদি মিউচুয়াল ফান্ডে ১০ শতাংশ হারে রিটার্ন পান, তাহলে মাসে ৩৫,০০০ টাকা করে জমাতে হবে। তাহলেই জমবে ১ কোটি টাকা।
২. যদি ধরা যায় আপনি ১২ শতাংশ হারে রিটার্ন পাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে জমাতে হবে মাসে ২৭,০০০ টাকা।
৩. আর ১৪ শতাংশ হারে রিটার্ন পেলে, মাসে ২১,৫০০ টাকা ইনভেস্ট করা জরুরি।
কোন ফান্ডে বিনিয়োগ?
লার্জক্যাপ ফান্ডে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি কিছুটা কম। তবে রিটার্ন সামান্য কম। আর মিডক্যাপ আর স্মলক্যাপের ক্ষেত্রে রিটার্ন অনেকটাই বেশি। তবে সেই সঙ্গে ঝুঁকিও বেশি। তাই সব দিক ভেবেচিন্তে, রিসার্চ করেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।