এবার স্লিপার বন্দে ভারতে করে মায়াপুরশনিবারই হাওড়া থেকে দেশের প্রথম স্লিপার বন্দে ভারতের সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হাওড়া-কামাখ্যা রুটে চলবে এই সেমি হাই স্পিড ট্রেন। ট্রেনটির সর্বাধিক গতি থাকছে ১৮০ কিমি। যদিও গড় স্পিড অনেকটাই কম। তবে এখনও কমার্শিয়াল রান শুরু করা হয়নি।
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের তরফে জানানো হয়েছে, ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এই ট্রেনের বাণিজ্যিক সফর। অর্থাৎ ওই দিন থেকেই সাধারণ যাত্রীরা টিকিট কেটে ট্রেনটিতে উঠতে পারবেন। উল্টোদিকে হাওড়া থেকে প্রথমবারের জন্য কামাখ্যার উদ্দেশে ছাড়বে এই নতুন ট্রেন।
মায়াপুর পৌঁছাবেন কী ভাবে?
ইস্কনের মায়াপুর ধাম দর্শন করতে প্রতি দিন হাজার হাজার ভক্ত কৃষ্ণনগর ও নবদ্বীপ ধাম হয়ে মায়াপুরে পৌঁছান। স্লিপার বন্দে ভারতের স্টপেজ রয়েছে এই নবদ্বীপ ধামও। হাওড়া থেকে সন্ধ্যা ৬টা বেজে ২০ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা ৭টা বেজে ৩৮ মিনিটেই ট্রেনটি নবদ্বীপ ধাম পৌঁছে যাবে। অর্থাৎ মাত্র ১ ঘণ্টা ১৮ মিনিটেই কলকাতা থেকে পৌঁছানো যাবে নবদ্বীপ ধাম। সেখান থেকে টোটো ও নৌকো করে চেনা পথেই পৌঁছনো যাবে মায়াপুর। নবদ্বীপ ধাম থেকে টোটো করে মায়াপুর যাওয়ার লঞ্চঘাট গিয়ে, সেখান থেকে নদী পার হয়ে যেতে হবে মায়াপুর হুলোর ঘাটে। এখান থেকেই সরাসরি টোটো যায় মায়াপুর মন্দির।
ট্রেনের ভাড়া কত রয়েছে?
রেলের তরফে সরকারি ভাবে এখনও স্লিপার বন্দে ভারতের ভাড়া প্রকাশ করা হয়নি। তবে সূত্রের দাবি, হাওড়া থেকে 3AC-তে ভাড়া থাকতে পারে ১০১০ টাকা, 2AC -তে এই ভাড়া পড়তে পারে ১৩০৫ টাকা ও 1AC-তে ভাড়া হতে পারে ১৬০০ টাকা।
ট্রেনটিতে কোচ রয়েছে ১৬টি। মোট ৮২৩ জন যাত্রী এই ট্রেনে সফর করতে পারেন। ট্রেনটি পুরো এসি কোচ হওয়ার পাশাপাশি সবকটি সিটেই দেওয়া হয়েছে আরামদায়ক গদি। এছাড়াও, উপরের সিটে চড়ার জন্য সিঁড়িগুলি অত্যাধুনিক ডিজাইন করা হয়েছে।
ট্রেনটি কোন কোন স্টেশনে থামবে?
হাওড়া থেকে রওনা দেওয়ার পরে ট্রেনটি ব্যান্ডেল জংশন, নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া জংশন, আজিমগঞ্জ, নিউ ফারাক্কা জংশন, মালদা টাউন, আলুবাড়ি রোড, নিউ জলপাইগুড়ি, জলপাইগুড়ি রোড, নিউ কোচবিহার বিহার, নিউ আলিপুরদুয়ার, নিউ বনগাইগাঁও, রাঙ্গিয়া হয়ে কামাখ্যা স্টেশনে গিয়ে পৌঁছবে।