Salary অনুযায়ী কত দামি Smartphone কেনা Financially সঠিক? জানুন

Smartphone Price Based on Salary: বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ছাড়া দৈনন্দিন জীবন কল্পনা করা কঠিন। অফিসের কাজ, অনলাইন ব্যাঙ্কিং, সোশ্যাল মিডিয়া, বিনোদন; সব ক্ষেত্রেই স্মার্টফোন এখন অপরিহার্য। কিন্তু নতুন ফোন কিনতে গিয়ে অনেকেই বড়সড় অঙ্কের টাকা খরচ করে ফেলেন।

Advertisement
Salary অনুযায়ী কত দামি Smartphone কেনা Financially সঠিক? জানুনবেতন অনুযায়ী স্মার্টফোন কেনার পরিকল্পনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
হাইলাইটস
  • বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ছাড়া দৈনন্দিন জীবন কল্পনা করা কঠিন।
  • অফিসের কাজ, অনলাইন ব্যাঙ্কিং, সোশ্যাল মিডিয়া, বিনোদন; সব ক্ষেত্রেই স্মার্টফোন এখন অপরিহার্য।
  • নতুন ফোন কিনতে গিয়ে অনেকেই বড়সড় অঙ্কের টাকা খরচ করে ফেলেন।

Smartphone Price Based on Salary: বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ছাড়া দৈনন্দিন জীবন কল্পনা করা কঠিন। অফিসের কাজ, অনলাইন ব্যাঙ্কিং, সোশ্যাল মিডিয়া, বিনোদন; সব ক্ষেত্রেই স্মার্টফোন এখন অপরিহার্য। কিন্তু নতুন ফোন কিনতে গিয়ে অনেকেই বড়সড় অঙ্কের টাকা খরচ করে ফেলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, আয়ের তুলনায় বেশি দামের ফোন কিনলে মাসিক বাজেটে চাপ পড়তে পারে। তাই বেতন অনুযায়ী স্মার্টফোন কেনার পরিকল্পনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর্থিক পরিকল্পনাবিদদের মতে, সাধারণভাবে একজন মানুষের মাসিক আয়ের ২৫ থেকে ৪০ শতাংশের বেশি স্মার্টফোনের পিছনে খরচ না করাই ভাল। এতে একদিকে যেমন প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়া যায়, অন্যদিকে ব্যক্তিগত আর্থিক ভারসাম্যও বজায় থাকে। সেই হিসাব ধরেই দেখা যাক, মাসিক বেতনের ভিত্তিতে স্মার্টফোনের সম্ভাব্য দাম কত হওয়া যুক্তিযুক্ত।

মাসে ২০ হাজার টাকা বেতন হলে
যাঁদের মাসিক বেতন প্রায় ২০ হাজার টাকার কাছাকাছি, তাঁদের জন্য ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন কেনা তুলনামূলকভাবে যুক্তিযুক্ত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এই দামের ফোনে এখন ভালো ব্যাটারি, সাধারণ ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত পারফরম্যান্স এবং প্রয়োজনীয় অ্যাপ চালানোর সুবিধা পাওয়া যায়। দৈনন্দিন যোগাযোগ, ইন্টারনেট ব্যবহার ও সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য এই বাজেট যথেষ্ট।

মাসে ৩৫ হাজার টাকা বেতন হলে
মাসিক আয় যদি প্রায় ৩৫ হাজার টাকা হয়, তবে ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন কেনা আর্থিকভাবে নিরাপদ ধরা হয়। এই বাজেটের ফোনে তুলনামূলক ভালো ক্যামেরা, বড় ডিসপ্লে এবং দ্রুত প্রসেসর পাওয়া যায়। ফলে কাজ ও বিনোদন; দুই ক্ষেত্রেই ফোনটি ব্যবহার করা সহজ হয়।

মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন হলে
যাঁদের মাসিক বেতন ৫০ হাজার টাকার কাছাকাছি, তাঁদের জন্য ১৮ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকার স্মার্টফোন কেনা যুক্তিযুক্ত বলে মনে করা হয়। এই দামের ফোনে উন্নত ক্যামেরা, শক্তিশালী ব্যাটারি এবং ভালো পারফরম্যান্সের প্রসেসর থাকে। ফলে অফিসের কাজ, ভিডিও কল বা অনলাইন মিটিংয়ের ক্ষেত্রেও কোনও সমস্যা হয় না।

Advertisement

মাসে ৭৫ হাজার টাকা বেতন হলে
মাসিক আয় যদি প্রায় ৭৫ হাজার টাকা হয়, তবে ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন কেনা আর্থিকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে। এই বাজেটে সাধারণত মিড-প্রিমিয়াম স্মার্টফোন পাওয়া যায়, যেখানে উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম, উচ্চ মানের ডিসপ্লে এবং দ্রুত পারফরম্যান্সের সুবিধা থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মার্টফোন কেনার সময় শুধু দাম নয়, নিজের প্রয়োজন ও আর্থিক অবস্থার কথাও মাথায় রাখা জরুরি। অনেকেই ট্রেন্ড বা ব্র্যান্ডের প্রভাবেই বেশি দামের ফোন কিনে ফেলেন। কিন্তু বাস্তবে ফোনটি ব্যবহার করার ধরন যদি সীমিত হয়, তাহলে অতিরিক্ত খরচের কোনও অর্থ থাকে না।

অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকারীরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, স্মার্টফোন একটি ব্যবহারযোগ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা সময়ের সঙ্গে দ্রুত পুরোনো হয়ে যায়। তাই নিজের আয়, সঞ্চয় এবং অন্যান্য খরচের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। 

POST A COMMENT
Advertisement