স্টক মার্কেট ক্র্যাশবুধবারের পর বৃহস্পতিবারও স্টক মার্কেটের হাল খারাপ। আজ মার্কেট ওপেনিংয়ের পরই সেনসেক্স এবং নিফটিতে বড় ক্র্যাশ। আর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে ইরান যুদ্ধের। এলপিজি এবং তেলের জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় যাতা অবস্থা শেয়ারবাজারের।
আজ দিনের শুরুতেই সেনসেক্স বা বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ পড়ে যায় ৯৭৮ পয়েন্ট। ও দিকে নিফটির হালও খারাপ। এটি ২৭৫ পয়েন্ট পড়ে যায়। জোম্যাটো থেকে ইন্ডিগো, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, ইনফোসিস, আইটিসি, টিসিএস, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, এসবিআই, টাইটন, টাটা স্টিল, সানফার্মা, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক সহ একাধিক স্টকের হাল খারাপ। যদিও, এই খারাপ অবস্থায় রিলায়েন্সের স্টক গ্রিন জোনে রয়েছে।
সেনসেক্স, নিফটিতে ক্র্যাশ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি। এমতাবস্থায় বাড়ছে তেলের দাম। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের শেয়ারমার্কেটে বলে দাবি করা হচ্ছে। এ দিন শুরুর সময়ই অনেকটা পড়ে যায় সেনসেক্স এবং নিফটি।
বুধবার সেনসেক্স ক্লোজিং করেছিল ৭৬,৮৬৩ পয়েন্টে। আর আজ সেটির ওপেনিং হয় ৭৬,৩৬৯ পয়েন্টে। তারপর কিছুক্ষণের মধ্যেই এটা ৯৭৮ পয়েন্ট নেমে যায়। পৌঁছে যায় ৭৫,৮৭১ পয়েন্টে।
আর নিফটির অবস্থাও একই। আগের দিনের ক্লোজিং ২৩,৮৬৬ থেকে কিছুটা নেমে ২৩,৬৭৪ পয়েন্টে আজ ওপেনিং হয়। তারপর এটি তলিয়ে যায় ২৩,৫৬৬ পয়েন্ট।
কেন পড়ছে?
এরা একাধিক কারণ থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যেমন ধরুন-
১. বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছে, যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণই নেই। রোজই আক্রমণের খবর আসছে। যার ফলে অস্থির শেয়ারবাজার। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদে থাকতে স্টক মার্কেট থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ইনভেস্টররা। তাতে পড়ছে সেনসেক্স এবং নিফটি।
২. ভারতের বাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও টাকা তুলে নিচ্ছে। তারা শেয়ার বেচে চলে যাচ্ছে। সেটাও ক্র্যাশের কারণ।
৩. যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তেলের দাম বাড়ছে। আর সেই সঙ্কট আঁচ করেও সেলিং চলছে। তার ফলেও দাম কমছে।
কী করবেন?
এই পরিস্থিতিতে সাবধান থাকতে হবে। চেষ্টা করতে হবে সাবধানে বিনিয়োগ করার। সবথেকে ভাল হয় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে ইনভেস্ট করলে। তাতেই নিজের টাকা সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।