২ মাসের মধ্যে চিনি বিক্রি করতে হবেচিনির দাম নিয়ে দেশজুড়ে চর্চার মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। চিনির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবার মাস্টারস্ট্রোক মোদী সরকারের। বাজারে চিনির দাম আমজনতার নাগালের মধ্যে রাখতে চিনি আমদানির শর্তে পরিবর্তন আনল কেন্দ্র।
খুচরো বাজারে চিনির প্রাপ্যতা যাতে বজায় থাকে এবং চিনির দাম বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে যাতে কালোবাজারি রোখা যায়, তার জন্য নয়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম মোতাবেক, বিদেশ থেকে কাঁচা বা অপরিশোধিত চিনি আমদানির পর তা আগামী ২ মাসের মধ্যে পরিশোধন করে খুচরো বাজারে বিক্রি করতে হবে। কেন্দ্রের তরফে মনে করা হচ্ছে। এরফলে দেশের বাজারে চিনির প্রাপ্যতা বজায় থাকবে। একইসঙ্গে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে চিনি মজুত করতে পারবে না।
সম্প্রতি, ডেকান হেরাল্ডে দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্র চিনির দাম কমাতে ইতিমধ্যেই ১০ লাখ টন অপরিশোধিত চিনি শুল্কমুক্ত ভাবে আমদানিতে অনুমতি দিয়েছে। এরফলে চিনির দাম ৮০ টাকা কেজি থেকে কমে যেতে পারে। তবে এই স্বস্তি অবশ্য সাময়িক। কারণ উৎসবের মরশুমে চিনির চাহিদা রয়েছে আকাশছোঁয়া। এমন সময়ে ১০ লাখ টন চিনিও মার্কেট থেকে বেরিয়ে যেতে খুব বেশি সময় লাগবে না।
এখন ভারতে কোন দেশ থেকে চিনি আমদানি হতে পারে?
ভারতে চিনি আমদানির ক্ষেত্রে ব্রাজিল বর্তমানে সবচেয়ে বড় উৎস। তবে সেই চিনি আসতে হলেও প্রায় এক থেকে দে়ড় মাস সময় লাগে। বন্দর থেকে আবার মিল পর্যন্ত যেতেও অতিরিক্ত সময় লাগে। তবে সরকার এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ নিলে চিনি আরও দ্রুত আনা সম্ভব বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কলকাতার বাজারে কেজি প্রতি চিনির দাম কোথাও কোথাও ৮০ টাকা দরেও বিক্রি করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। যদিও শহরতলির এক মুদি দোকানির দাবি, দাম এতটা বৃদ্ধি পায়নি। ৬৫-৬৬ টাকা চিনির দাম নেওয়া উচিত। যারা তার বেশি দামে চিনি বিক্রি করছেন, তারা আদতে বেশি লাভ করছেন।