ফিনো পেমেন্ট ব্যাঙ্কজিএসটি কারচুপির জন্য একটি স্মল ফিন্যান্স ব্যাঙ্কের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর এই খবর সামনে আসার আগেই ৭ শতাংশ পড়ে গিয়েছিল ব্যাঙ্কটির শেয়ার। আর মনে করা হচ্ছে সোমবার এর স্টকের দামে বড় অস্থিরতা থাকতে পারে। তাই আপনার পোর্টফোলিওতে এই স্টক থাকলে, সাবধান হন।
তদন্তকারী আধিকারিকেরা আধিকারিকেরা ফিনো পেমেন্ট ব্যাঙ্কের এমডি এবং সিইও ঋষি গুপ্তকে গ্রেফতার করেছেন। তিনি জিএসটি আইন ভাঙার ফলেই গ্রেফতার হয়েছেন।
ব্যাঙ্কের তরফে জানান হয়েছে, সিইও গ্রেফতার হওয়ার পর একটি স্পেশাল মিটিং করা হয়েছে ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ব্যাঙ্কের চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার কেতন মার্চেন্ট। তিনি আপাতত ব্যাঙ্কের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। ব্যাঙ্কের কাজ ঠিক ঠাকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন তাঁর মূল কাজ।
ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে সিজিএসটি এবং এসডিএসটি ২০১৭ আইনের সেকশন ১৩২(১)(এ) এবং ১৩২(১)(আই)-এর অধীনে সিইও-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ব্যাঙ্কের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে যে এই তদন্তের সঙ্গে ব্যাঙ্কের কোনও যোগ নেই। বরং ব্যাঙ্কের বিজনেস পার্টনারদের নিয়েই এই তদন্ত চলছে।
ব্যাঙ্ক আরও দাবি করেছে যে, তদন্তকারী আধিকারিকদের সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। সমস্ত ধরনের তথ্য ভাগ করে নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ব্যাঙ্কের উপর কোনও প্রভাব পড়বে না। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক আরও জানিয়েছে যে এই ঘটনার সঙ্গে কোনও কর্মীর যোগ নেই।
কী বললেন সিএফও?
এই খবর সামনে আসার পরই নিজের মতামত জানিয়েছেন কেতন মার্চেন্ট। তিনি বলেন, 'এই তথ্য সামনে আসার পর স্টক এক্সচেঞ্জে ২৭,২০২৬-এ জানান হয়েছে...'
পাশাপাশি তাঁর দাবি, ভারতের আইন ব্যবস্থার উপর পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে। যখন যেমন সহযোগিতা প্রয়োজন হবে, তা করা হবে।
এখন দেখার সোমবার এই ব্যাঙ্কের শেয়ার ঠিক কেমন আচরণ করে। সেই মতো স্টক কেনা থাকলে 'বাই' বা 'সেল' করতে হবে। নইলে বড়সড় ক্ষতির রয়েছে আশঙ্কা। সুতরাং সাবধান হয়ে যান।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।