টোটোতে আসলে কত যাত্রী তোলার নিয়ম?শেষ এক দশকে ভারতের রাস্তায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে ই-রিক্সা। চলতি বাংলায় টোটো বা টুকটুক নামে এই হালকা তিন চাকা গাড়িটি এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়েছে, যে পায়ে টানা রিক্সা কার্যত ভ্যানিশ। অনেক জায়গায় যাত্রীর জন্য লড়াই করতে হচ্ছে অটোকেও! এতটাই জনপ্রিয়তা টোটোর।
কেন টোটো এত জনপ্রিয়?
চালকদের হিসেবে দেখলে, এটি অত্যন্ত হালকা একটি গাড়ি। ফলে চালাতে পরিশ্রম করতে হয় কম। এছাড়াও, এটি চালাতে পেট্রোল বা ডিজেলের মতো কোনও জ্বালানির প্রয়োজন পড়ে না। শুধুমাত্র ইলেকট্রিকেই চলে টোটো। ফলে এটির ব্যয় কম। যা চালকদের জন্য লাভজনক।
অন্যদিকে, যাত্রীদের কাছেও টোটোর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কারণ রয়েছে। টোটো বা ই-রিক্সা আদতে পায়ে টানা রিক্সা ও অটোর মধ্যবর্তী একটি যান। টোটো পাড়ার গলিতেও পরিষেবা দেয়। একেবারে সরাসরি বাড়ির দরজায় পৌঁছে যায় টোটো। ফলে যাত্রীরাও ঝামেলা-ঝঞ্জাটের হাত থেকে রেহাই পায়।
তবে টোটোতে যাত্রী বসানো নিয়ে নিয়ম কিন্তু অর্ধেক শহরেই পালন হয় না
নিয়ম অনুযায়ী, ই-রিকশা বা টোটোর সামনের সিটে শুধুমাত্র চালকই বসতে পারেন। কিন্তু কলকাতা লাগোয়া শহরতলি বা অন্য শহরেও টোটোর সামনের সিটে এক বা দুইজনকে বসতে দেখা যায়। ই-রিকশা চালকরা যদি সামনে এক বা দুইজন যাত্রীকে বসতে দেন, তবে তা বেআইনি এবং এর জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
অন্যদিকে, পেছনের সিটের হিসেব হলে পেছনে শুধুমাত্র ৪ জনই বসতে পারেন। লাভের উদ্দেশ্যে চারজনের বেশি লোক বসানো হলে, তা আইনত অনুমোদিত নয়।
এছাড়াও টোটোর নিয়ম অনুযায়ী, একটি ই-রিকশায় সর্বোচ্চ ৪০ কেজি ওজনের লাগেজ বহন করা যায়। আবার অনেক রাজ্যে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কোনও টোটো মেইন রোডে উঠতে পারে না। ই-রিকশার সরকারি সংজ্ঞা অনুযায়ী এর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২৫ কিমির বেশি হওয়া উচিত নয়।