Uber Air Taxi: Uber-এ বুক করা যাবে এয়ার ট্যাক্সি, উড়ে চলে যাবে, তোড়তোড় শুরু

ভাবুন তো, মোবাইলে ক্যাব বুক করতে গিয়ে হঠাৎ দুটি অপশন ভেসে উঠল, রোড ট্যাক্সি নাকি এয়ার ট্যাক্সি! আর যানজটে বসে সময় নষ্ট নয়, সরাসরি আকাশপথে গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া। এই ভবিষ্যৎচিত্রকেই বাস্তবে রূপ দিতে চলেছে দুবাই। 

Advertisement
Uber-এ বুক করা যাবে এয়ার ট্যাক্সি, উড়ে চলে যাবে, তোড়তোড় শুরু
হাইলাইটস
  • ভাবুন তো, মোবাইলে ক্যাব বুক করতে গিয়ে হঠাৎ দুটি অপশন ভেসে উঠল, রোড ট্যাক্সি নাকি এয়ার ট্যাক্সি!
  • আর যানজটে বসে সময় নষ্ট নয়, সরাসরি আকাশপথে গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া।

ভাবুন তো, মোবাইলে ক্যাব বুক করতে গিয়ে হঠাৎ দুটি অপশন ভেসে উঠল, রোড ট্যাক্সি নাকি এয়ার ট্যাক্সি! আর যানজটে বসে সময় নষ্ট নয়, সরাসরি আকাশপথে গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া। এই ভবিষ্যৎচিত্রকেই বাস্তবে রূপ দিতে চলেছে দুবাই। 

চলতি বছরের শেষের দিকেই দুবাইয়ে চালু হতে পারে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক এয়ার ট্যাক্সি পরিষেবা। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল, জনপ্রিয় রাইড-হেলিং অ্যাপ Uber-এর মাধ্যমেই এই উড়ন্ত ট্যাক্সি বুক করা যাবে। অর্থাৎ, যে অ্যাপ দিয়ে এতদিন রাস্তায় চলা গাড়ি ডাকতেন, সেই একই অ্যাপেই মিলবে আকাশপথের বিকল্প।

কীভাবে বুক করবেন এয়ার ট্যাক্সি?
বুকিং প্রক্রিয়াটি হবে একেবারেই সহজ।
১. অ্যাপ খুলে গন্তব্য লিখুন।
২. যদি ওই রুটে এয়ার ট্যাক্সি পরিষেবা উপলব্ধ থাকে, তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘এয়ার ট্যাক্সি’ অপশন দেখাবে।
৩. একটিমাত্র বুকিংয়ের মাধ্যমেই পুরো যাত্রা সম্পন্ন হবে।

প্রথমে সড়কপথে আপনাকে নিয়ে যাওয়া হবে নির্দিষ্ট টেক-অফ পয়েন্টে। সেখান থেকে এয়ার ট্যাক্সিতে উড়ে গন্তব্যের কাছাকাছি অবতরণ, তারপর আবার সড়কপথে চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। পুরো প্রক্রিয়াটিই এক টিকিট ও এক অ্যাপের আওতায়।

কেমন হবে এই এয়ার ট্যাক্সি?
সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক (eVTOL) বিমান
একসঙ্গে চারজন যাত্রী বহনের ক্ষমতা
প্রতিটি ফ্লাইট পরিচালনা করবেন লাইসেন্সপ্রাপ্ত বাণিজ্যিক পাইলট
কেবিনে আরামদায়ক আসন ও বড় জানালা, যাতে আকাশ থেকে দুবাইয়ের দৃশ্য উপভোগ করা যায়
ছটি বিশেষ প্রোপেলার, যা উল্লম্বভাবে উড্ডয়ন ও অবতরণে সক্ষম

গতির দিক থেকেও এটি বেশ শক্তিশালী, সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ২০০ মাইল (প্রায় ৩২১ কিমি)। একবার চার্জে প্রায় ১০০ মাইল (প্রায় ১৬০ কিমি) পর্যন্ত উড়তে পারবে। শহরের ভেতরে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এতে থাকবে একাধিক আধুনিক সুরক্ষা ব্যবস্থা।

শহুরে যাতায়াতে নতুন দিগন্ত
এই পরিষেবা চালু হলে দুবাইয়ের পরিবহন ব্যবস্থায় এক বড় পরিবর্তন আসতে পারে। স্থল ও আকাশপথের মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরি হবে, যা ব্যস্ত মহানগরে সময় বাঁচানোর নতুন সমাধান দেবে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement