Annapurna Yojana Online Application: অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন ফর্ম ফিলআপ চলছে, পোর্টালে লগ ইন করতে সমস্যা? কী করবেন জানুন

অনলাইনে আবেদনের জন্য রাজ্য সরকারি পোর্টাল থেকে ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। তারপর তা পূরণ করে আবার অনলাইনেই জমা দিতে হবে। ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলাপ শুরু হয়েছে।

Advertisement
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন ফর্ম ফিলআপ চলছে, পোর্টালে লগ ইন করতে সমস্যা? কী করবেন জানুনঅনলাইনে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলআপ করতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


অফলাইনে অন্নপূর্ণা যোজনার  ফর্ম ফিল-আপ আগেই শুরু হয়েছিল। সোমবার থেকে অনলাইনেও সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। ৯০ দিন পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। মোট ১২ পাতার ফর্ম । সেখানে চাওয়া হয়েছে একাধিক তথ্য, যেমন আবেদনকারী ও তাঁর পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তথ্য, পরিবারে কারা রয়েছেন, সন্তান কতজন রয়েছে, সন্তানের টিকাকরণ স্ট্যাটাস থেকে জমির পরিমাণ ইত্যাদি। 

অনলাইনে ১২ পাতার ফর্ম পূরণ
অনলাইনে আবেদনের জন্য রাজ্য সরকারি পোর্টাল থেকে ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। তারপর তা পূরণ করে আবার অনলাইনেই জমা দিতে হবে। ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলাপ শুরু হয়েছে। www.socialsecurity.wb.gov.in ওয়েবসাইটে তিনটি ভাষায় ফর্ম উপলব্ধ রয়েছে। এই পোর্টাল খুললে একটি পেজ খুলবে যেখানে রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর, ক্যাপচা এবং ওটিপি দিয়ে লগ ইন করতে বলা হচ্ছে।

আগামী ৩ জুন থেকে প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করা শুরু করবে রাজ্য সরকার। বুধবার অবধি যে সংখ্যক উপভোক্তার নাম নথিভুক্ত হবে তাঁদের দিয়েই শুরু হবে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ট্রান্সফার। এরপরে প্রতি সপ্তাহে মোট কত সংখ্যক প্রাপকের নাম তালিকাভুক্ত হল তা সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেবেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। প্রথমে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে, যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেতেন তাঁরাই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন। কিন্তু পরবর্তীতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রাপকের তালিকায় ব্যাপক কারচুপি ধরা পড়ে। এর ফলে সকলকেই ফর্ম পূরণ করতে হবে বলে জানিয়ে দেয় রাজ্য।

উল্লেখ্য, কোনও অভারতীয় এই প্রকল্পের টাকা পাবেন না। যাঁদের নাম এসআইআরে বাদ গিয়েছে, কিন্তু ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেননি বা সিএএ-তে আবেদন করেননি, তাঁরা টাকা পাবেন না। এছাড়াও যাঁরা আয়কর দেন, সরকারি বা আধা-সরকারি চাকরি করেন তাঁরা এই প্রকল্পের টাকা পাবেন না।

অনলাইন কীভাবে ফর্ম পূরণ করবেন?
আবেদনকারীদের সুবিধার্থে রাজ্য সরকার তাদের অফিসিয়াল সোশ্যাল সিকিউরিটি পোর্টালকে এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করেছে। অনলাইনে আবেদনের জন্য এই ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে। আবেদনকারীদের সরাসরি রাজ্য সরকারের নির্ধারিত ওয়েবসাইট https://socialsecurity.wb.gov.in/-এ যেতে হবে। এই ওয়েবসাইটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা পোর্টাল’। পোর্টালে গেলেই আপনার ভাষা অনুযায়ী ফর্ম ডাউনলোড করতে পারবেন। পোর্টালে মোবাইল নম্বর দিয়ে নাম রেজিস্টার করতে হবে। ফর্ম-ফিল আপের পর সেই ফর্ম স্ক্যান করে পোর্টালেই আপলোড করতে হবে। ফর্মের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথিও স্ক্যান করে পোর্টালে জমা দিতে পারবেন আবেদনকারীরা।

Advertisement

ফর্ম-ফিল আপের সময় হাতের কাছে কোন কোন নথি রাখবেন?

  • আধার কার্ড
  • ভোটার কার্ড
  • রেশন কার্ড
  • ব্যাঙ্কের পাসবই, অ্যাকাউন্টের তথ্য
  • বসবাসের প্রমাণপত্র হিসেবে বিদ্যুত বিল বা জলের বিল
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি

১২ পাতার ফর্মে কী কী তথ্য চাওয়া হয়েছে?
এই ফর্মের বিশালতা এবং খুঁটিনাটি তথ্যের দাবি অনেক আবেদনকারীকেই কিছুটা উদ্বেগে ফেলেছে। ফর্মে আবেদনকারী ও তাঁর পরিবারের একটি সম্পূর্ণ আর্থ-সামাজিক রূপরেখা চাওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা এবং নির্ভরশীলদের সম্পূর্ণ বিবরণ। আবেদনকারী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য। জমির পরিমাণ এবং সম্পত্তির খতিয়ান। পরিবারের সন্তানদের টিকাকরণ বা ভ্যাকসিনের বর্তমান স্ট্যাটাস। অনলাইন পোর্টাল চালু হওয়ার পর থেকেই ১২ পাতার এই জটিল ফর্ম পূরণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বাতিল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেক সাধারণ মানুষ ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু গুজবেরও জন্ম দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও বিভ্রান্তিতে কান দেওয়ার প্রয়োজন নেই। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যুতে বলেছেন, 'এই ফর্ম পূরণ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হবেন না বা কোনও গুজবে কান দেবেন না।" তিনি সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, ফর্ম পূরণে সহায়তার জন্য প্রতিটি বাড়িতে সরকারি প্রতিনিধি পাঠানো হবে। তাঁরাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবেদনকারীদের পাশে বসে নির্ভুলভাবে এই ফর্ম পূরণ করিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নেবেন।'

POST A COMMENT
Advertisement