আগামী ১ অগাস্ট থেকে জনগণনার কাজ শুরু হবে।West Bengal Census 2026: শীঘ্রই রাজ্যে জনগণনা শুরু। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই সবুজ সংকেত দিয়েছে শুভেন্দু সরকার। কিন্তু জনগণনা নিয়ে অনেকের মনেই নানা প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে। ভুল তথ্য কীভাবে সংশোধন করবেন? কোনও সমস্যায় পড়লেই বা কাকে জানাবেন? সেই সব প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। চালু করা হচ্ছে বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর এবং ওয়েবসাইট। এর মাধ্যমে সহজেই আদমসুমারি সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যার সুরাহা মিলবে।
এ বিষয়ে নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সারেন শুভেন্দু অধিকারী। জানান, আগামী ১ অগাস্ট থেকে জনগণনার কাজ শুরু হবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত চলবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। এটি একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব। জনগণনার মাধ্যমে রাজ্যের জনসংখ্যা, সামাজিক অবস্থা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ভবিষ্যতে সরকারি প্রকল্প পরিকল্পনা এবং পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
জনগণনার জন্য চালু হচ্ছে হেল্পলাইন (West Bengal Census Helpline Number)
জনগণনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন থাকতেই পারে। সেই কারণেই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ হেল্পলাইন চালু করা হচ্ছে। আসুন এক নজরে সেই হেল্পলাইন নম্বর দু'টি জেনে নেওয়া যাক।
হেল্পলাইন নম্বর: ১৮৫৫
ল্যান্ডলাইন নম্বর: ০৩৩-২৩৩৫ ৯৫০৩
এই নম্বরগুলিতে ফোন করে জনগণনা সংক্রান্ত তথ্য, প্রসেস বা কোনও সমস্যা হলেও সে সাহায্য পাওয়া যাবে।
পশ্চিমবঙ্গের জন্য ওয়েবসাইটের লিঙ্ক (West Bengal Census Official Website)
হেল্পলাইন তো থাকছেই। পাশাপাশি জনগণনা সম্পর্কিত সমস্ত সরকারি তথ্য, নির্দেশিকা এবং আপডেট জানার জন্য বিশেষ ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। নিচে ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দেওয়া হল।
এই ওয়েবসাইটেই জনগণনার সময়সূচি, নিয়ম এবং অন্যান্য তথ্য পাওয়া যাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
জনগণনার সময়সূচি
অগাস্টের প্রথম দিকেই জনগণনার ফার্স্ট ফেজের কাজ শুরু হয়ে যাবে।
ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার
এ বার জনগণনার কাজে আধুনিক প্রযুক্তিরও ব্যবহার করা হবে। মোবাইল অ্যাপ, পোর্টাল এবং ডিজিটাল ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কাজ হবে।
জনগণনা করে লাভ কী?
মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাংলায় শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। দীর্ঘ সময় পর আবার জনগণনা হচ্ছে। জনগণনার মাধ্যমে রাজ্যের বর্তমান জনসংখ্যা ঠিক কত, তা জানা যাবে। শুধু তাই নয়, এলাকাভিত্তিক জনসংখ্যা, সামাজিক পরিস্থিতি ইত্যাদি সংক্রান্ত স্পষ্ট তথ্য মিলবে। এতে ভবিষ্যতে বিভিন্ন সামাজিক এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা করা সহজ হবে।