Sir Hearing: আজ থেকে শুরু SIR হিয়ারিং, কী কী নথি থাকা মাস্ট?

বঙ্গে SIR প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়ে গেল আজ, শনিবার। ম্যাপিংয়ে না থাকা সকলকেই এবার ডাকা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। এই প্রক্রিয়াকেই কমিশনের তরফে হিয়ারিং বলা হচ্ছে।

Advertisement
আজ থেকে শুরু SIR হিয়ারিং, কী কী নথি থাকা মাস্ট? Sir হিয়ারিং
হাইলাইটস
  • বঙ্গে SIR প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়ে গেল আজ, শনিবার
  • ম্যাপিংয়ে না থাকা সকলকেই এবার ডাকা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন
  • এই প্রক্রিয়াকেই কমিশনের তরফে হিয়ারিং বলা হচ্ছে

বঙ্গে SIR প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়ে গেল আজ, শনিবার। ম্যাপিংয়ে না থাকা সকলকেই এবার ডাকা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। এই প্রক্রিয়াকেই কমিশনের তরফে হিয়ারিং বলা হচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কোন কোন নথি থাকলে হিয়ারিংয়ের পর আপনি ভোটার তালিকায় 'ইন' হয়ে যাবেন? আর সেই উত্তরটাই দেওয়া হল প্রতিবেদনে।

কারা ডাক পাচ্ছেন প্রথম দফায়?

হিয়ারিং শুরু হল আজ। আর কমিশনের তরফে জানান হয়েছে, ২০০২ সালের শেষবার হওয়া SIR-এ যাদের নিজের বা পরিবারের নাম নেই, তাদেরই এখন ডাকা হবে। এদেরকে সন্দেহের তালিকায় রাখছে কমিশন। তাদের কাছ থেকে ভারতের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রমাণ চাওয়া হবে। এমনকী করা হতে পারে কিছু প্রশ্ন। তারপরই ভোটার তালিকায় নাম থাকবে বলে জানান হয়েছে।

কত জন ডাক পেয়েছেন?

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে প্রথম দফায়, ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৪ জনকে ডাকা হবে শুনানিতে। তাঁদের ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়ে গিয়েছে নোটিস। তাদেরই এবার শুনানি করা হবে। আর শুনানির পর্ব চলবে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই। শুনানিতে উপস্থিত থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা।

শুনানির সময় বাইরের কেউ সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। শুধু ভোটার এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে শুনানির দায়িত্বপ্রাপ্ত মানুষজনই সেখানে থাকবেন। তারাই ভোটারের নথি দেখবেন। করতে পারেন প্রশ্নও।

যতদূর খবর, দিনে ১০০ থেকে ১৫০ জনের শুনানি হতে পারে একটা টেবিলে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক ভোটারের ছবি তোলা হবে বলেও জানা গিয়েছে।

কোন কোন নথি লাগবে?

কমিশন SIR-প্রক্রিয়ার শুরুতেই ১৩টি নথির কথা বলেছিল। এই সব নথির মধ্যে আধার কার্ড বাদ দিয়ে যে কোনও একটি দেখাতে হবে। তবে কমিশন চাইলে একাধিক নথি দেখতে চাইতেও পারে।

এমন পরিস্থিতিতে যে সব নথি লাগবে

  • ১৯৮৭ সালের আগের ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস বা LIC-এর নথি
  • সরকারি চাকরির কোনও আইডি কার্ড
  • বার্থ সার্টিফিকেট
  • পাসপোর্ট
  • মাধ্যমিক বা তার বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট
  • ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট
  • SC, ST, OBC সার্টিফিকেট
  • স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া বাসস্থানের সার্টিফিকেট
  • NRC-এর সার্টিফিকেট
  • পারিবারিক রেজিস্টার
  • জমি, বাড়ির দলিল
  • আধার কার্ড

তাই এই সব নথিগুলি এখন থেকেই জোগার করুন। তারপরই যান শুনানির টেবিলে। আশা করছি, আপনার নাম ২০২৬ সালের ভোটার লিস্টে অবশ্যই থাকবে।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement