SIR হিয়ারিংয়ে না যেতে পারলে কী হবে? জেনে নিন কমিশনের নিয়ম

পশ্চিমবঙ্গে এখন চলছে SIR বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন পর্ব। শুনানিতে ডাকা হচ্ছে ভোটারদের। সেখানে না যেতে পারলে কী হবে? জেনে নিন।

Advertisement
SIR হিয়ারিংয়ে না যেতে পারলে কী হবে? জেনে নিন কমিশনের নিয়মভোটারের শুনানি
হাইলাইটস
  • পশ্চিমবঙ্গে এখন চলছে SIR বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন পর্ব
  • শুনানিতে ডাকা হচ্ছে ভোটারদের
  • সেখানে না যেতে পারলে কী হবে?

পশ্চিমবঙ্গে এখন চলছে SIR বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন পর্ব। ইতিমধ্যেই এনুমারেশন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তারপর বেরিয়ে গিয়েছে খসড়া ভোটার লিস্ট। এরপরই শুরু হয়েছে শুনানি বা হিয়ারিং পর্ব। এই পর্বে ভোটারদের ডাকতে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। তাঁদের কাছে ডকুমেন্ট দেখতে চাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি করা হচ্ছে একাধিক প্রশ্ন। তারপরই ভোটার তালিকায় নাম রাখা সম্ভব হবে বলে জানাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নইলে নাম ডিলিট হয়ে যেতে পারে।

কতজন ভোটারকে ডাকা হচ্ছে?

আপাতত নির্বাচন কমিশন প্রায় ৩৪ লক্ষ ভোটারকে ডাকতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। এই সব ভোটাররা হলেন আনম্যাপড। অর্থাৎ তাঁদের নাম ২০০২-এর ভোটার লিস্টে নেই। এমনকী তাঁদের বাবা-মা বা ঠাকুমা-ঠাকুরদার নামও ভোটার লিস্টে অনুপস্থিত। আর সেই কারণেই তাঁদের প্রথমে ডাকছে নির্বাচন কমিশন।

এছাড়া কমিশন আরও হাজার হাজার সন্দেহজনক ভোটারকে চিহ্নিত করেছে। তাঁদেরকেও SIR হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে বলে জানা গিয়েছে।

নোটিস ইস্যু হয়েছে

মাথায় রাখতে হবে, শুনানির জন্য দু'টি নোটিস ইস্যু করা হবে ভোটারের নামে। একটি নোটিস দেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে। অপরদিকে আর একটি থাকবে বিএলও-এর কাছে। নোটিস পাওয়ার পর কমিশন ভোটারকে এক সপ্তাহ সময় দেবে শুনানিতে যাওয়ার জন্য। সেই মতো দেওয়া হবে ডেট।

কোথায় হবে শুনানি?

শুনানি চলবে জেলাশাসক, মহকুমা শাসক ও বিডিও অফিসের মতো জায়গায়। নোটিসে লেখা থাকবে কোথায় হবে শুনানি। সেই জায়গায় যেতে হবে ভোটারদের।

নির্বাচন কমিশনের তরফে খবর, শুনানির জায়গায় একাধিক টেবিল থাকবে। এক একটি টেবিলে সর্বোচ্চ ১০০ জনের একদিনে শুনানি হবে। তারপর সেই সব তথ্য আপলোড করা হবে।

হিয়ারিংয়ে উপস্থিত না থাকতে পারলে?

শুনানির জন্য একটা ডেট দেবে নির্বাচন কমিশন। সেই দিনেই যেতে হবে ভোটারকে। নির্দিষ্ট নথি নিয়ে উপস্থিত হতে হবে। কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও প্রশ্ন করা হলে দিতে হবে তার উত্তর।

Advertisement

তবে এমনটা হতেই পারে যে তিনি সেই দিন সেখানে উপস্থিত হতে পারলেন না। এমন পরিস্থিতিতে হিয়ারিংয়ের তারিখ বদলানো যেতে পারে। কিন্তু সেই তারিখটা বদলানোর জন্য আপনাকে উপযুক্ত কারণ জানাতে হবে।

একইভাবে আপনি চাইলে আগেভাগেই শুনানির দিনটা বদলে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে নিজের বিএলও-এর সঙ্গে কথা বলেই বদলানো যেতে পারে দিন।

তবে বিশেষভাবে সক্ষম, অন্তঃসত্ত্বা বা কারও বয়স ৮৫ বছরের বেশি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়িতে গিয়েই হিয়ারিং হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমশিন।

POST A COMMENT
Advertisement