বাইক থেকে পড়ে একটা পা ভেঙে গিয়েছিল। অসহ্য যন্ত্রণা, মনে ছিল বাঁচার আশা। পরিবারের লোকজন ভেবেছিলেন, সরকারি হাসপাতালে গেলেই হয়তো চিকিৎসা শুরু হবে। ডাক্তার দেখবেন, ব্যথা কমবে, ভাঙা পায়ে প্লাস্টার হবে। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছে যে দৃশ্য সামনে এল, তা দেখে হতবাক হয়ে গেলেন সবাই। প্লাস্টারের বদলে ভাঙা পায়ের সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়া হলো কার্ডবোর্ড। তার ওপর কাপড় আর তুলো দিয়ে পুরো পা মুড়ে দেওয়া হলো। তারপর বলা হলো, অন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। যে জায়গায় মানুষ সুস্থ হওয়ার আশায় যায়, সেই হাসপাতাল থেকেই যদি এমন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরতে হয়, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই। সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক যুবকের পুরো পা তুলো এবং ব্যান্ডেজ দিয়ে এমনভাবে বাঁধা হয়েছে যে দেখে মনে হচ্ছে এটি কোনো জরুরি পরিস্থিতির সাময়িক ব্যবস্থা, চিকিৎসার শেষ ধাপ নয়।
মেয়েদের করেছিলেন উচ্চশিক্ষিত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর পর শেষকৃত্যতেও এলেন না কেউ। দেখলেন ভিডিও কলে।
টালা ব্রিজে স্টান্টবাজি যুবকের। নাজেহাল দমকল কর্মীরা। মঙ্গলবার টালা ব্রিজের একটি ল্যাম্পপোস্টের মাথায় চড়ে বসলেন এক যুবক। আর সেখান থেকেই বারবার দাবি, 'শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে কথা বলতে চাই।' এখানেই শেষ নয়, জামা কাপড় খুলে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে কখনও ল্যাম্পপোস্টের রড ধরে ঝুলে পড়েন, আবার কখনও ওখানে বসেই দেখাতে থাকেন নানা স্টান্ট। যুবকের কীর্তি দেখে ভিড় জমানোর স্থানীয়রা। নেমে আসার হাজার অনুরোধ করলেও কর্ণপাত করেনি ওই যুবক। পরে দমকল কর্মীদের দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় ওই যুবককে উদ্ধার সম্ভব হয়। দেখুন সেই ভিডিও।
Bengali Chutkule: মন থেকে হাসলে টেনশন কমে। চিকিৎসকদের মতে, ডিপ্রেশনের রোগীদের জন্য হাসি একটি ওষুধের মতো। হাসতে থাকলে মানসিক চাপ ও রোগ দূর হয়ে যায়। শরীরকে ফিট ও সুস্থ রাখতে মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকা খুবই জরুরি। আসুন হাসতে হাসতে ভাইরাল জোকস পড়া যাক।
Bengali Jokes: হাসতে থাকলে আশেপাশের পরিবেশ এবং আপনার মেজাজ ভালো থাকে। আজকের ব্যস্ত সময়সূচীতে, লোকেরা হাসতেও ভুলে যায়, তাই আপনাকে হাসানোর জন্য আমরা নিয়ে এসেছি মজার ভাইরাল জোকস। এটা পড়ে আপনি আপনার হাসি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।
AI job search: মুহূর্তের নোটিশে চাকরি চলে গিয়েছিল। টানা পাঁচ মাস ধরে একের পর এক ইন্টারভিউ দিয়েও ভাগ্যের শিকে ছেঁড়েনি। কোথাও আবেদন বাতিল, কোথাও আবার শেষ মুহূর্তে অন্য কাউকে নিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনকারী থেকে শুরু করে লোকসভার সাংসদ, সকলের মুখেই এখন ঘুরছে একটিই শব্দ, Vasteguna Huiya! এই শব্দের মানে কী? জেন জি-রা কেন এই শব্দ ব্যবহার করেন?
Jokes: স্বাস্থ্যের রহস্য হল হাসি। বর্তমান সময়ের দৌড়াদৌড়ির জীবনে মানসিক চাপ এড়ানো খুবই জরুরি। মানসিক চাপ এড়িয়ে চললে অনেক রোগ এড়ানো যায়। ঠাট্টা-তামাশা মানসিক চাপ দূরে রাখতে বড় ভূমিকা রাখে। আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি মজার জোকস। এই জোকসগুলো পড়ে হাসি থামাতে পারবেন না।
বাইক থেকে পড়ে একটা পা ভেঙে গিয়েছিল। অসহ্য যন্ত্রণা, মনে ছিল বাঁচার আশা। পরিবারের লোকজন ভেবেছিলেন, সরকারি হাসপাতালে গেলেই হয়তো চিকিৎসা শুরু হবে। ডাক্তার দেখবেন, ব্যথা কমবে, ভাঙা পায়ে প্লাস্টার হবে। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছে যে দৃশ্য সামনে এল, তা দেখে হতবাক হয়ে গেলেন সবাই। প্লাস্টারের বদলে ভাঙা পায়ের সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়া হলো কার্ডবোর্ড। তার ওপর কাপড় আর তুলো দিয়ে পুরো পা মুড়ে দেওয়া হলো। তারপর বলা হলো, অন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। যে জায়গায় মানুষ সুস্থ হওয়ার আশায় যায়, সেই হাসপাতাল থেকেই যদি এমন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরতে হয়, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই। সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার এই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক যুবকের পুরো পা তুলো এবং ব্যান্ডেজ দিয়ে এমনভাবে বাঁধা হয়েছে যে দেখে মনে হচ্ছে এটি কোনো জরুরি পরিস্থিতির সাময়িক ব্যবস্থা, চিকিৎসার শেষ ধাপ নয়।
মেয়েদের করেছিলেন উচ্চশিক্ষিত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর পর শেষকৃত্যতেও এলেন না কেউ। দেখলেন ভিডিও কলে।
টালা ব্রিজে স্টান্টবাজি যুবকের। নাজেহাল দমকল কর্মীরা। মঙ্গলবার টালা ব্রিজের একটি ল্যাম্পপোস্টের মাথায় চড়ে বসলেন এক যুবক। আর সেখান থেকেই বারবার দাবি, 'শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে কথা বলতে চাই।' এখানেই শেষ নয়, জামা কাপড় খুলে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে কখনও ল্যাম্পপোস্টের রড ধরে ঝুলে পড়েন, আবার কখনও ওখানে বসেই দেখাতে থাকেন নানা স্টান্ট। যুবকের কীর্তি দেখে ভিড় জমানোর স্থানীয়রা। নেমে আসার হাজার অনুরোধ করলেও কর্ণপাত করেনি ওই যুবক। পরে দমকল কর্মীদের দীর্ঘক্ষণের প্রচেষ্টায় ওই যুবককে উদ্ধার সম্ভব হয়। দেখুন সেই ভিডিও।