
সূর্য কোনও গ্রহ নয়, এটি একটি বিশাল নক্ষত্র। পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র। এর আলো ও তাপেই পৃথিবীর জীবকূল নির্ভরশীল।

সূর্য এতটাই বড় যে এর ভিতরে প্রায় ১৩ লক্ষ পৃথিবী ধরে যেতে পারে। সৌরজগতের মোট ভরের প্রায় ৯৯.৮ শতাংশই শুধু সূর্যের।

সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময় নেয়। অর্থাৎ আমরা যে সূর্য দেখি, সেটা আসলে ৮ মিনিট আগের ছবি।

সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৫,৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর এর কেন্দ্রের তাপমাত্রা প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সূর্যের বেশিরভাগ অংশই হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। হাইড্রোজেন পরমাণু একে অপরের সঙ্গে মিশে শক্তি তৈরি করে।

সূর্য নিজেও ঘোরে। তবে এটি গ্যাসীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি হওয়ায় সব অংশ একসঙ্গে একই গতিতে ঘোরে না।

বিজ্ঞানীদের মতে সূর্যের বয়স প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর। আরও প্রায় ৫ বিলিয়ন বছর এটি জ্বলতে থাকবে।

সূর্যের উপর মাঝে মাঝেই ভয়ংকর সৌর ঝড় বা সোলার ফ্লেয়ার দেখা যায়। এগুলির প্রভাবে পৃথিবীর স্যাটেলাইট ও ইন্টারনেট পরিষেবায় সমস্যা হতে পারে।

গাছপালা সূর্যের আলো থেকে খাদ্য তৈরি করে। সূর্যের তাপ ও আলো না থাকলে পৃথিবী সম্পূর্ণ অন্ধকার ও বরফে ঢাকা হয়ে যেত।

ভবিষ্যতে সূর্যের জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে এটি বিশাল ‘রেড জায়ান্ট’-এ পরিণত হবে। তখন সূর্য এত বড় হয়ে যেতে পারে যে পৃথিবীকেও গ্রাস করতে পারে।