
বুদ্ধ মঠে আস্ত একটা সাপেদের ঠিকানা। ফোটো- রয়টার্স পাইথন, ভাইপার, কোবরা- কী নেই সেকটা থুখা টেটো মনেস্ট্রিতে। বৌদ্ধ ভিক্ষু উইলাথা তৈরি করেছেন এমনই আস্ত সাপেদের আশ্রয়স্থল। ৬৯ বছর বয়সি সাধু বহু সাপেদের মৃত্যুর মুখ থেকে উদ্ধার করে এখানে রেখেছেন। এমনকী বহু সাপকে চোরাশিকারীদের মাধ্যমে পাচার হওয়া থেকেও আটকেছেন।
কবে তৈরি হল সাপেদের এই আস্তানা?
পাঁচ বছর আগে তৈরি হয়েছে এই সাপেদের আশ্রয়স্থল। রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, সেখানকার বাসিন্দারা ছাড়াও সরকারী সংস্থাগুলি সন্ন্যাসীর কাছে বন্দী সাপগুলি নিয়ে আসে। উইলাথা, যিনি তাঁর গেরুয়া পোশাক ব্যবহার করে সাপ পরিষ্কার করছিলেন, তিনি জানিয়েছেন প্রাকৃতিক পরিবেশগত চক্রকে রক্ষা করছেন।

উইলাথার মতে, একবার মানুষ সাপ ধরার পর সাধারণত বিক্রি করার কথা চিন্তা করে।
কীভাবে মঠ সাপেদের আস্তানায় পরিণত হল?
তবে এই সন্ন্যাসী সাপদের খাওয়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় ৩০০ ডলার অনুদানের উপর নির্ভরশীল। যতক্ষণ না সাপেরা বনে ফিরে যাওয়ার যোগ্য হয় ততদিন নিজের আশ্রয়ে তাদের রাখেন উইলাথা।

ইদানীং উইলাথা, হলাওগা জাতীয় উদ্যানে বেশ কয়েকটি সাপকে ছেড়ে দিয়েছেন এবং বলেছেন যে সে তাদের স্বাধীন দেখে খুশি বন কিন্তু চিন্তায় থাকেন যে আবার ধরা না পড়ে। তিনি রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, "খারাপ লোকদের হাতে ধরা পড়লে সাপেদের কালো বাজারে বিক্রি করা হয়।"
তবে সংরক্ষণকারীদের মতে, মায়ানমারে অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্যের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। যেখান থেকে প্রায়শই বন্যপ্রাণী চীন ও থাইল্যান্ডের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতে পাচার হয়।